General Knowledge

® তিস্তা নদী কোন হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়– জেমু হিমবাহ।
® ছোটনাগপুর মালভূমি কী জাতীয় মালভুমি– ব্যবচ্ছিন্ন।
® কোন মেঘে বৃষ্টি হয়– নিম্বাস।
® পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায়  মহাকুমা নেই– কলকাতা।
® কোন বায়ু কে বাণিজ্য বায়ু বলা হয়– অয়ন বায়ু।
® শীতকালে সাধারণত কোন মেঘে বৃষ্টি হয়– স্ট্র্যাটোকিউমুলাস।
®  টাইফুন কোথায় দেখা যায়– চিন ও জাপান উপকুলে।
® হ্যারিকেন কোথায় দেখা যায়– পশ্চিম ভারতে।
® সিডার ঝড় কোথায় দেখা যায়– ভারত ও বাংলাদেশ।
® টর্নেডো সবচেয়ে বেশি কোথায় হয়– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
®. ভারতে বৃহত্তম উপহ্রদ কোনটি– চিল্কা
® লোকটাক হ্রদ ভারতের কোথায় অবস্থিত– মনিপুরে।
২০. সম্বর হ্রদ ভারতের কোথায় অবস্থিত– রাজস্থান।
২১. ডালও উলার হ্রদ ভারতে কোথায় অবস্থিত– জম্বু ও কাশ্মীর।
২২. কোলেরু হ্রদ কোথায় অবস্থিত– তামিলনাডু।
২৪. পূর্ব রেল পথের সদর কোথায়– কলকাতা।
২৫. কোন শিলায় জীবাশ্ম দেখতে পাওয়া যায়– পাললিক শিলায়।
২৬. রাজস্থানের মরু অঞ্চলে চলমান বালিয়াড়িগুলিকে কী বলে– ধ্রিয়ান।
২৭. ভারতে স্থলভাগের দক্ষিনতম প্রান্তের নাম– ইন্দিরা পয়েন্ট।
২৮. ভারতে কোন রাজ্য চাকমা জনগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে– এিপুরা।
২৯. কোন নদীর গতিপথে হুড্রু জলে্রপাত সৃষ্টি হয়েছে– সুবর্ণরেখা।
৩০.ভারতে একমাত্র কোন অরন্যে সিংহ দেখা যায়– রাজস্থানের গির অরণ্যে।
৩১. নাকো হ্রদ কোন রাজ্য অবস্থিত– হিমাচল প্রদেশ।
৩২. কঞ্চনজঙ্ঘা জলপ্রপাত কোন রাজ্যে আছে– সিকিম।
৩৩. কালিকটের পরিবর্তিত নাম– কোঝিকোড়।
৩৪. দক্ষিণাত্যর লাভা মালভূমি অঞ্চল কী নামে পরিচিত– ডেকানট্র্যাপ।
৩৫. গাড়ো পাহাড়ের সবোচ্চ শৃঙ্গের নাম– নকরেক।
৩৬. পূর্বঘাট পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ — মহেন্দ্রগিরি।
৩৭. লে শহর থেকে সরাসরি চিনে যাওয়া যায় কোন গিরিপথের মাধ্যমে– সাসার।
৩৮. পশ্চিমঘাট পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি– কলসুবাই।
৪২. ভারতের প্রাচীনতম পর্বতের নাম– আরাবল্লী।
৪৩. ভারতের বৃহত্তম লৌহ- ইস্পাত কেন্দ্র– ছত্তিশগড়ের ভিলাই।
৪৪. কোন রাজ্যের উপকূল রেখা দীর্ঘতম– গুজরাট।
৪৫. ভারতের দীর্ঘতম বাঁধের নাম– হিরাকুঁদ।
৪৬. বিশ্বের বৃহত্তম নদী দ্বীপ– মাজুলি দ্বীপ।
৪৭. পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ– সান্দাকফু।
৪৮. পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত একটি নদীর নাম– ময়ুরাক্ষী।
৪৯.ভারতের সর্ববৃহৎ তৈল শোধানাগার– জামনগর।
৫০.ক্ষুদ্রতম কেন্দ্রশাষিত অঞ্চল– লাক্ষাদ্বীপ।
৫১. ভারতের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত–যোগ।
৫২. ভারতের প্রথম সূর্যোদয় হয়– অরুণাচল প্রদেশ।
৫৩. লাক্ষ্মদ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ — মিনিকয়।
৫৪. ভারতে সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত সড়ক পথ — খারদুংলা সড়ক।
৫৫. ভারতের গভীরতম  বন্দর — বিশাখাপত্তনম।
৫৬. বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী ঝড়ের নাম– টর্নেডো।
৫৭.নাসিকের কুম্ভমেলা কোন নদীর তীরে হয়– গোদাবরী।
৫৮. মানচিত্রে অস্তিত্ব নেই এমন একটি দেশের নাম– বেলেডোনিয়া।
৫৯.ভারতে সবচেয়ে বড় প্রবাল দ্বীপ– লাক্ষাদ্বীপ।
৬৩. মাদুমালাই অভয়ারণ্য কোন রাজ্যে অবস্থিত– তামিলনাডু।
৬৪. প্রশান্ত মহাসাগরের সর্ববৃহৎ দ্বীপ — মাদাগাস্কার।
৬৫. নাথিলা গিরিপথ কোন রাজ্যে অবস্থিত– সিকিম।
৬৬.অাঙ্কোরভাট মন্দির কোন দেশে অবস্থিত– কম্বোডিয়া।
৬৭. মধুবনী শিল্প কোন রাজ্যে– বিহার।
৬৮.কোন নদীতে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ান গিরিখাত সৃষ্টি হয়েছে– কলোরাডো।
৬৯.পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল প্রাচীর কোনটি– গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।
৭০. বিশ্বের বৃহত্তম নিরক্ষীয় চিরহরিৎ অরণ্য কোথায়– আমাজন অববাহিকায়।
® গোবি মরু ভুমিটি অবস্থিত– মঙ্গোলিয়ায়।
® পৃথিবী যে ছায়াপথে অবস্থিত তার নাম কী– আকাশগঙ্গা।
® বিশ্বের সবচেয়ে দুষিত শহর– মেস্কিকো।
®. ভূমিকম্প হেতু বিশাল সামুদ্রিক ঢেউকে বলে– সুনামি।
® ভূমিকম্পের দেশ বলে– জাপানকে।
®. পৃথিবীর সর্বাধিক জলবিদুৎ
উৎপাদন করে– আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।
® বিশ্বের সবচেয়ে বজ্রপাত হয়– হাওয়াই দ্বীপ

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

*•1st Five Year Plan (1951-56)* – Priority to Agriculture
*•2nd Five Year Plan (1956-61)* – Priority to Industries Sector
*•3rd Five Year Plan(1961-66)* – Self Reliance
*•4th Five Year Plan (1969-74)* – Removal of Poverty, Growth with Justice
*•5th Five Year Plan(1974-79)* – Removal of Poverty and Self-reliance
*•6th Five Year Plan (1980-85)* – The emphasis on same as 5th Plan
*•7th Five Year Plan (1985-90)* –Food Production, Employment, Productivity
*•8th Five Year Plan (1992-97)* – Employment Generation, Control of Population
*•9th Five Year Plan (1997-02)* – Growth Rate of 7 percent
*•10th Five year Plan (2002-07)* –Self employment and resources and development
*•11th Five Year Plan (2007-12)* – Comprehensive and faster growth
*•12th Five Year plan (2012-17)* – Improvement of Health, Education and Sanitation.

INTERPOL সম্পর্কিত তথ্য

২০২২ সালে ৯১ তম ইন্টারপোলের (INTERPOL-International Criminal Police Organization) শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ভারতে।

চিলির স্যান্টিয়াগোতে এবছরের ৮৮তম ইন্টারপোলের শীর্ষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হ​য়। এর আগে ১৯৯৭ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত
হ​য়েছিল ইন্টারপোলের শীর্ষ বৈঠক।

ইন্টারপোল বা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যার প্রধান কাজ আন্তর্জাতিক পুলিশকে সহায়তা করা।
এটি ১৯২৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ কমিশন নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালে বর্তমানের নামে পরিবর্তিত হয়। 

প্রধান দপ্তর লিয়োঁ, ফ্রান্স-এ।বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল জার্গেন স্টক

ভারতের ভুগোল

উত্তর ও দক্ষিন ভারতের জলবিভাজিকা – বিন্ধ্য পর্বত ৷
অলকনন্দা দেবপ্রয়াগের কাছে গঙ্গায় পড়েছে ৷
গঙ্গার প্রধান উপনদী হল – যমুনা ৷
সিন্ধু নদীর উৎপত্তি হয়েছে – সিন্-খা-বাব হিমবাহ থেকে ৷
ব্রক্ষ্মপুত্র তিব্বতে – সাংপো নামে পরিচিত ৷
রাজস্থানের মরু অঞ্চলের প্রধান নদীর নাম – লুনি ৷
সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে – হুড্রু জলপ্রপাত অবস্থিত ৷
কাবেরি নদীর গতিপথে শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে ৷
লোকটাক হ্রদ মণিপুরে অবস্থিত ৷
আনাইসাগর হ্রদ থেকে লুনি নদীর সৃষ্টি হয়েছে ৷
সরাবতি নদীর গতিপথে গেরসোপ্পা বা যোগজলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
নর্মদা নদীর গতিপথে ধুয়াধার জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
ত্র্যাম্বক উচ্চভূমি থেকে গোদাবরি নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
যমুনা নদী এলাহাবাদের কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ছে ৷
ভারতের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাতের নাম গেরসাপ্পো যার অপরদুটি নাম যোগজলপ্রপাত বা গান্ধী জলপ্রপাত ৷
গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গোমুখ তুষারগুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
ভারতের দুটি লবণাক্ত জলের হ্রদের নাম সম্বর ও চিল্কা ৷
ভারতের একটি অর্ন্তবাহিনী নদীর নাম লুনি ৷
দক্ষিন ভারতের নদিগুলি শুধু বৃষ্টির জলে পুষ্ট ৷
ভারতের প্রধান নদীর নাম গঙ্গা ৷
যমুনোত্রী হিমবাহ থেকে যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
হরিদ্বারের কাছে গঙ্গা সমভুমিতে নেমে এসেছে ৷
উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রধান নদী – সিন্ধু ৷
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান নদী – ব্রক্ষ্মপুত্র ৷
কাশ্মির উপত্যকার মধ্য দিয়ে – ঝিলাম বা বিতস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে ৷
সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জেদারো সভ্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ৷
সবরমতি নদী – আরাবল্লি পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ৷
ভারতের একটি আদর্শ নদী – গঙ্গা ৷
সরাবতী একটি পশ্চিম বাহিনী নদী ৷
পাঞ্জাবের প্রধান নদী – শতদ্রু ৷
অরুণাচলপ্রদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রের নাম – ডিহং ৷
তাপ্তি নদীর প্রধান উপনদীর নাম – পূর্ণা ৷
ডাল ও উলার হ্রদ কাশ্মিরে অবস্থিত ৷
গঙ্গার দূষণ রোধের জন্য ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা অথোরিটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হয় ৷
মহানদীর উপর ভারতের দীর্ঘতম ( ২৬ কিমি) বাঁধ – হিরাকুদ অবস্থিত ৷
মেট্টুর বাঁধ কাবেরী নদীর উপর অবস্থিত ৷
নাগারজুন সাগর বাঁধ কৃষ্ণা নদীর উপর অবস্থিত ৷
জন্মু কাশ্মিরের লাদাখে বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ (১৪,২৫৬ ফুট) পংগং অবস্থিত ৷
ভারতের বৃহত্তম হ্রদের নাম – কাশ্মিরের উলার ৷
শতদ্রু নদীর উপর ভারতের উচ্চতম বাঁধ ভাকরা – নাঙ্গাল অবস্থিত ৷
গঙ্গা ব্রক্ষ্মপুত্রের ব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ৷
ব্রক্ষ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ ৷
গোদাবরি নদী কে দক্ষিন ভারতের গঙ্গা বলা হয় ৷
কাবেরি নদীকে দক্ষিন ভারতের পবিত্র নদী বলা হয় ৷
ভারতের পশ্চিম বাহিনী নদীগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য – নর্মদা,তাপ্তি,সবরমতি ও সরাবতি ৷
গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার উচ্চগতি৷ হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি ৷ রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মুখ পর্যন্ত গঙ্গার নিন্মগতি ৷
লুনি নদী কচ্ছের রণে পড়েছে ৷
নর্মদা ও তাপ্তি নদী গ্রস্থ উপত্যকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ৷
বাংলাদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রের নাম যমুনা ৷
ব্রক্ষ্মপুত্রের দুটি উপনদীর নাম হল – সুবর্ণসিরি ও লোহিত ৷

ভৌগলিক উপনাম

1/ সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
2/ ভূ-স্বর্গ – কাশ্মীর
3/ নিষিদ্ধ দেশ – তিব্বত
4/ নিষিদ্ধ নগরী – লাসা
5/ মুক্তার দ্বীপ – বাহরাইন
6/ সমুদ্রের বধু – গ্রেট বিটেন
7/ নিশীথ সূর্য্যের দেশ – নরওয়ে
8/ সাদা হাতির দেশ – থাইল্যান্ড
9/ বাজারের শহর – কায়রো
10/ নীল নদের দেশ – মিশর
11/ আগুনের দ্বীপ – আইসল্যান্ড
12/ প্রাচ্যের ডান্ডি – নারায়ণগঞ্জ
13/ বজ্রপাতের দেশ – ভূটান
14/ সোনালী তোরণের
শহর – সানফ্রান্সিসকো
15/ ইউরোপের ককপিট – বেলজিয়াম
16/ স্কাই স্ক্রাপার্সের শহর – নিউইয়র্ক
17/ ব্রিটেনের বাগান – কেন্ট
(ইংল্যান্ড)
18/ মসজিদের শহর – ঢাকা
19/ সাদা শহর – বেলগ্রেড
(যুগোস্লাভিয়া)
20/ মুক্তার দেশ – কিউবা
21/ বাতাসের শহর – শিকাগো

ভৌগলিক উপনাম

1/ সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
2/ ভূ-স্বর্গ – কাশ্মীর
3/ নিষিদ্ধ দেশ – তিব্বত
4/ নিষিদ্ধ নগরী – লাসা
5/ মুক্তার দ্বীপ – বাহরাইন
6/ সমুদ্রের বধু – গ্রেট বিটেন
7/ নিশীথ সূর্য্যের দেশ – নরওয়ে
8/ সাদা হাতির দেশ – থাইল্যান্ড
9/ বাজারের শহর – কায়রো
10/ নীল নদের দেশ – মিশর
11/ আগুনের দ্বীপ – আইসল্যান্ড
12/ প্রাচ্যের ডান্ডি – নারায়ণগঞ্জ
13/ বজ্রপাতের দেশ – ভূটান
14/ সোনালী তোরণের
শহর – সানফ্রান্সিসকো
15/ ইউরোপের ককপিট – বেলজিয়াম
16/ স্কাই স্ক্রাপার্সের শহর – নিউইয়র্ক
17/ ব্রিটেনের বাগান – কেন্ট
(ইংল্যান্ড)
18/ মসজিদের শহর – ঢাকা
19/ সাদা শহর – বেলগ্রেড
(যুগোস্লাভিয়া)
20/ মুক্তার দেশ – কিউবা
21/ বাতাসের শহর – শিকাগো

ভারতের উপকূলের সমভূমি অঞ্চল

ভারতের উপকূলের সমভূমি অঞ্চল :-
ত্রিভুজাকৃতি দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অঞ্চলের পূর্ব প্রান্তে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম প্রান্তে আরব সাগরের উপকূল বরাবর সংকীর্ণ সমভূমিকে ভারতীয় উপকূলবর্তী সমভূমি অঞ্চল বলা হয় । ভারতীয় উপকূলবর্তী সমভূমি অঞ্চলটি দুই ভাগে বিভক্ত :- (ক) পশ্চিম উপকূলের সমভূমি এবং (খ) পূর্ব উপকূলের সমভূমি ।
(ক) পশ্চিম উপকূলের সমভূমি :-  পশ্চিমে আরব সাগরের উপকূলবর্তী সংকীর্ণ ও বন্ধুর সমভূমিটি উত্তর দিকে গুজরাটের সমভূমি অঞ্চলে খানিকটা চওড়া হয়ে গেছে । কচ্ছ উপদ্বীপ এবং কচ্ছের রণ  অঞ্চলকে নিয়ে গঠিত গুজরাট উপকূলের সমভূমি একটি প্রশস্ত সমতলভূমি । কোনোও এক সময় কচ্ছের রণ অঞ্চলটি আরব সাগরের একটি প্রসারিত অগভীর অংশ ছিল । কিন্তু বর্তমানে গ্রীষ্মকালে এই সমভূমি অঞ্চলটি সম্পূর্ণ শুষ্ক, উদ্ভিদহীন ও সাদা লবণে ঢাকা বালুকাময় প্রান্তরে রূপান্তরিত হয় । কচ্ছ উপসাগর ও খাম্বাত উপসাগর নামে আরব সাগরের দুটি প্রসারিত অংশ গুজরাট সমভূমির মধ্যে কিছুদূর পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে । কচ্ছ অঞ্চলের কিছুটা দক্ষিণে অবস্থিত কাথিয়াবাড় উপদ্বীপ অঞ্চলটি সৌরাষ্ট্র নামেও পরিচিত । গিরণর সৌরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পাহাড় । এর উচ্চতা ১১১৭ মিটার । ভারতের পশ্চিম উপকূলের সমভূমি মহারাষ্ট্রে কোঙ্কন উপকূল, কর্ণাটকের কানাড়া উপকূল এবং কেরালায় মালাবার উপকূল নামে পরিচিত । উত্তরে বিভিন্ন নদীর মোহনা এবং দক্ষিণে কেরালা উপকূলে ছোট বড় হ্রদ এবং উপহ্রদ (লেগুন) বা ‘কয়ালের’ উপস্থিতি হল পশ্চিম উপকূলের অন্যতম ভুপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য । প্রায় ৬৩ কিমি লম্বা ‘ভেমবানাদ কয়াল’ এই অঞ্চলের বৃহত্তম উপহ্রদ ।
♣ পশ্চিম উপকূলের সমভূমি :-
(১) এটি ভারতের পশ্চিম দিকে আরবসাগরের উপকূল বরাবর অবস্থিত ।
(২) পশ্চিম উপকূলের ভুমিভাগ সংকীর্ণ, উঁচু, নীচু ও বন্ধুর ।
(৩) এখানে বিভিন্ন নদীর মোহনা ও উপহ্রদ দেখা যায় ।
(৪) এই সমভূমি মহারাষ্ট্রে কোঙ্কন উপকূল, কর্ণাটকে কানাড়া উপকূল এবং কেরালায় মালাবার উপকূল নামে পরিচিত ।
(খ) পূর্ব উপকূলের সমভূমি:- ভারতের পূর্ব প্রান্তে বঙ্গোপসাগর উপকূলের সমভূমি পশ্চিম উপকূলের সমভূমির তুলনায় বেশি চওড়া ও সমতল । সমগ্র পূর্ব উপকূলের সমভূমিটি গোদাবরী বদ্বীপের উত্তরে উত্তর সরকার উপকূল এবং গোদাবরী বদ্বীপের দক্ষিণে করমণ্ডল উপকূল নামে পরিচিত । পূর্ব উপকূলের সমভূমিতে অনেকগুলো হ্রদ আছে এর মধ্যে উড়িষ্যা উপকূলের চিল্কা ও কোলেরু এবং অন্ধ্র উপকূলের পুলিকট উল্লেখযোগ্য হ্রদ ।
♣ পূর্ব উপকূলের সমভূমি:-
(১) এটি ভারতের পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর অবস্থিত ।
(২) পূর্ব উপকূলের ভুমিভাগ প্রশস্ত ও সমতল ।
(৩) এখানে বিভিন্ন নদীর বদ্বীপ দেখা যায়, যা খুব উর্বর ।
(৪) এই সমভূমি গোদাবরী অববাহিকার উত্তর দিকে উত্তর সরকার উপকূল এবং দক্ষিণ দিকে করমণ্ডল উপকূল নামে পরিচিত ।

গুরুত্বপূর্ণ ভূগোলের প্রশ্ন

১।পূর্বঘাট পাহাড়ের অপর নাম কী – মহেন্দ্ৰগিরি।
২। পশ্চিম পাহাড়ের অপর নাম কী – সহ্যাদ্রি পর্বত।
৩। নীলগিরি পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের কী বলে – টোডা।
৪। গর্জনকোন শ্রেণির বৃক্ষ – পাতাঝরা বা, পর্ণমােচী বৃক্ষ।
৫।তিব্বতে যাওয়ার জন্য কোন গিরিপথটি সিকিম রাজ্যে আছে— নাথুলা।
৬। রাজস্থানের সমান্তরাল বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী লম্বা হ্রদকে কী বলা হয় – ধান্দ।
৭।তুঙ্গভদ্রা বাঁধ প্রকল্পটি কোন রাজ্যে আছে-
কর্ণাটকে।
৮।ক্ৰান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য কোন রাজ্যে নেই – হিমাচল প্রদেশে।
৯। নােয়াভেলি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন রাজ্যে আছে – তামিলনাড়ু।
১০। পশ্চিমঘাট পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি – কোদাইকানাল।
১১। ভারতের কোথায় সােনা ও হিরের খনি আছে – পান্না ও কোলার।
১২। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কেন্দ্রটি কোন উপকূলে আছে – পূর্ব উপকূলে।
১৩। পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার একটি অঞ্চল দিয়ারানামে পরিচিত – মালদহ।
১৪। কলকাতা শহর কত দ্রাঘিমায় অবস্থিত।
– ৮৮/, পূর্ব।
১৫। সুবর্ণসিরি ও ধানসিরি কোন নদীর উপনদী – ব্ৰহ্মপুত্ৰ।
১৬।আত্ৰেয়ী বা, আত্রাই নদীর তীরে আছে। কোন শহর – বালুরঘাট।
১৭। গােরগারু কোন পাহাড়ের শৃঙ্গ – অযােধ্যা।
১৮। হর মন্দির কে প্রতিষ্ঠা করেন—গুরু অর্জন।
১৯। জনসংখ্যার বিচারে পশ্চিমবঙ্গের স্থান কত – চতুর্থ।
২০। বিহারীনাথ পাহাড় আছে পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় – বাঁকুড়া।
২১। ল্যান্ড অফ হােয়াইট অর্কিড কাকে বলে – কার্শিয়াং।
২২।পাণ্ডুয়ার আদিনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় – মালদহ।
২৪। তাের্সা নদীর উৎপত্তি কোথায় – চুম্বি উপত্যকা।
২৫। পূর্বঘাট পর্বত কোন ধরণের পর্বত – ফয়জাত।
২৬। হুভু জলপ্রপাত কোন নদী থেকে সৃষ্ট – সুবর্ণরেখা।
২৭। সিয়াচেন হিমবাহ কোন পর্বতমালার অংশ – কারাকোরাম।
২৮। রাজস্থানের মরুস্থলীতে চলন্ত বালিয়াড়িকে কী বলে – থ্রিয়ান।
২৯। ভারত ও ভূটানের সীমান্ত শহরের নাম কী – ফুন্টশলিং।
৩০। নর্মদা নদী কোন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে – মহাকাল ।
৩১। সাতপুরা পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী – ধূপগড়।
৩২। কোলার হ্রদ কোন দুটি নদীর সংযােগ স্থলে আছে – কৃষা ও গােদাবরী।
৩৩। ভেম্বানাদ উপহ্রদ আছে কোন উপকূলে ।
– মালাবার।
৩৪। গঙ্গার ডান তীরের উপনদী কোনটি
— শোন।
৩৫। পাংগাং হ্রদ আছে কোথায় – লাদাখ ।
৩৬। জাতীয় বননীতি কত সালে গৃহীত হয় – ১৯৫২ সালে।
৩৭।পডসল মৃত্তিকা কোন অঞ্চলে দেখা যায় – পশ্চিম হিমালয়।
৩৮। সিন্ধু নদের প্রধান উপনদী কোনটি – শতদ্ৰু
৩৯। প্রাচীন পলি দিয়ে গঠিত মৃত্তিকাকে কী বলে – ভাঙ্গর।
৪০। ভারতের কোন ইস্পাত কারখানার
উৎপাদন ক্ষমতা সর্বাধিক – বােকারাে।
৪১। ভিলাই ইস্পাত কারখানা কোন দেশের সহায়তায় তৈরি হয় – রাশিয়া।।
৪২। ভারতের অভ্র কোথায় সর্বাধিক পাওয়া যায় – বিহার।
৪৩। পামির মালভূমি ভারতের কোন দিকে রয়েছে – উত্তর-পশ্চিম দিকে।
৪৪। শিবালিক পর্বতের উচ্চতা কত – : ৬০০-১,৫০০ মিটার।
৪৫। কোন নদীর ওপর মেত্তুর বাঁধ আছে|
— কাবেরী।।
৪৬।সাতপুরার সর্বোচ্চ শিখর কোনটি- ধূপগড়।
৪৭। সাতপুরার পূর্বাংশ কীনামে পরিচিত – মহাকাল পর্বত।
৪৮। নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার এজেন্সি(NEFA) কোন রাজ্যের পুরনাে নাম – অরুণাচল প্রদেশ।
৪৯। নাঙ্গা পর্বতের উচ্চতা কত – ৮,১২৬
মিটার।
৫০। ভারতে সবচেয়ে বেশি কয়লা মজুত আছে কোন নদীর উপত্যকায় – দামােদর।
৫১। তুঙ্গভদ্ৰা প্ৰকল্প কোন-কোন রাজ্যের । যৌথ উদ্যোগে গড়া – আন্ধ্রা প্রদেশ ও কর্ণাটক।
৫২। ভারতের কোন রাজ্যে প্রথম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টতৈরি হয় – মহারাষ্ট্র।
৫৩। কোন পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র পুরােপুরি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি – কালপক্কম।
৫৪। কোন রাজ্যে সব থেকে বেশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় – কৰ্ণাটক।
৫৫। হিনললা জলসেচ প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় রয়েছে – বীরভূম।
৫৬। তিস্তা-মহানদীর সংযােজক খাল পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় আছে – জলপাইগুড়ি।
৫৭। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ : ওসানােগ্রাফি কোথায় আছে – পানাজি।
৫৮। তালকী – হিমালয়ে অবস্থিত হিমবাহ। জলপুষ্ট হ্রদকে তালবলা হয়।
৫৯। কয়েকটি তলের উদাহরণ দিন – নৈনিতাল, ভীমতাল, ওকুচিয়াতাল, সাততাল, পুনাতাল ইত্যাদি।
৬০। গঙ্গোত্রী হিমবাহের উচ্চতা কত – ৬,৬১৪ মিটার।
৬১। আরাবল্লী পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি
মাউন্ট আবু।
৬২। বানম কার উপনদী চম্বল নদীর।
৬৩। মধ্য প্রদেশের রাজধানী ভূপাল কোন দুটি নদীর মধ্যে অবস্থিত – বেতােয়া ও ওপাধতী
৬৪। দোদাবেতা ও মাকুর্তি কোন পর্বতে অবস্থিত নীলগিরি।
৬৫। পশ্চিমঘাট পর্বতের উচ্চতম শৃঙ্গগুলির নাম কী – হরিশ্চন্দ্রগড়, মহাবালেশ্বর, কলসুবাই।
৬৬। পশ্চিমঘাট পর্বতের দুটি গিরিপথের নাম। কী – ধলঘাট, ভােরঘাট।
৬৭। দোদাবেতার পাদদেশে কোন বিখ্যাত শৈলশহর অবস্থিত — উদগামণ্ড বাউটি।
৬৮। কোন দুটি পর্বতের মাঝে পালঘাট অবস্থিত — করিমালাই ও পাদগিরিমালাই।।
৬৯। দাক্ষিণাত্যের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি – আনাইমুদি।
৭০।কার্ডামাম পাহাড়ের সবচেয়ে দক্ষিণের গিরিপথটির নাম কী – শেঙ্কোটা।
৭১।পশ্চিমবঙ্গের কোথায় উলফ্ৰাম খনিজ পদার্থ পাওয়া যায় – বাঁকু ।

ভুগোল - WBCS2020

✍️ সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভ -১৯৭৩
✍️ সুন্দরবন ওয়াইল্ড লাইফ স্যানচুয়ারি -১৯৭৭
✍️ সুন্দরবন ন্যাশনাল পার্ক-১৯৮৪
✍️ সুন্দরবন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট-১৯৮৭
✍️ সুন্দরবন বায়োস্পেয়ার রিজার্ভ-১৯৮৯

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন - ভুগোল

1.ভারতের শতকরা ৪৬ ভাগস্থানে পলিমাটি আছে ৷
2.ভারতের শতকরা ১৭ ভাগ স্থানে কৃষ্ণ মত্তিকা আছে ৷
3.ভারতের শতকরা ১১ ভাগ স্থানে লোহিত মৃত্তিকা আছে ৷
4.ভারতের শতকরা ৮ ভাগ স্থানে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা আছে ৷
5.বালুকাময় মরুমৃত্তিকাকে সিরোজেম বলে ৷
6.বালি ও নুড়ি পাথরপূর্ণ মৃত্তিকাকে – ভাবর বলে ৷
7.কালো মাটি ব্যসল্ট মৃত্তিকা ক্ষয়ে সৃষ্ট হয়েছে ,এর অপর নাম রেগুর ৷
8.কালো মাটিতে লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড থাকে ৷এর অপরনাম লাল কাকুরে মাটি ৷
9.নতুন পলি সঞ্চিত প্লাবন ভূমির মাটিকে খাদর বলে ৷ এতে বালির ভাগ বেশি থাকে এর রঙ ধুসর ৷
10.পুরানো পলি মাটির নাম ভাঙ্গর ৷ এতে চুন জাতিয় পদার্থ বেশি থাকে ৷
11.ল্যাটিন শব্দ ল্যাটার যার বাংলা প্রতিশব্দ ইট – এর থেকে ল্যাটেরাইট মাটির উৎপত্তি হয়ছে ৷
12.ঝুম চাষ একধরণের পরিবর্তনশিল কৃষি ৷
13.দাক্ষিণাত্য মালভূমিতে কৃষ্ণ মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
14.তেলেগু শব্দ রেগাডা থেকে রেগুর শব্দের উৎপত্তি ৷
15.উচ্চ গঙ্গা সমভূমি অঞ্চলে কোথাও কোথাও একপ্রকার সূক্ষ কণার মৃত্তিকা দেখা যায় একে ভুর বলে ৷
16.ছোটোনাগপুরেরমালভুমি অঞ্চলে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা দেখা যায় ৷
17.পডসল মৃত্তিকা অঞ্চলে সরলবর্গীয় অরণ্য দেখতে পাওয়া যায় ৷
18.মৃত্তিকা সংরক্ষনের প্রধান উপায় বৃক্ষরোপণ ৷
19.উত্তরাঞ্চলেরদেরাদুনে মৃত্তিকা গবেষণাগার আছে ৷
20.বালি মাটিতে বালির ভাগ শতকরা ৫০ ভাগের বেশি ৷
21.দোয়াশ মাটিতে বালি ও কাদার পরিমান সমান ৷
22.এঁটেল মাটিতে কাদার পরিমাণ ৫০ % এর বেশি ৷
23.পাঞ্জাবে নবিন পলিমাটিকে বেট বলে ৷
24.জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ অম্ল মৃত্তিকার নাম পডসল এটি হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায় ৷
25.মাটির উপরিভাগ বায়ুপ্রবাহ বা বৃষ্টিপাত দ্বারা ক্ষয় প্রাপ্ত হলে তাকে আস্তরণ ক্ষয় বলে ৷
26.বৃষ্টির জল উঁচু জায়গা থেকে নীচু জায়গায় গড়িয়ে পড়ার সময় সরু নালার আকারে ক্ষয় পেলে তাকে নালিক্ষয় বলে ৷
27.নালিক্ষয় পরস্পর যুক্ত হলে তাকে প্রণালীক্ষয় বলে ৷

ভূগোলের কন্সেপ্ট— ENSO


ENSO কথাটি ভাঙলে দাঁড়ায়- El Nino & Southern Oscillation
El Nino নামটি শোনা শোনা লাগছে, শুনেছি এটি হলে নাকি বৃষ্টিপাত হয় না। অর্থাৎ বৃষ্টিরে জিগাইলাম, “ তুমি এলে নি?” , হে কইল,“ NO ”
অ! তা Southern Oscillation কেন? Southern আবার Oscillation? কারণ দক্ষিণ গোলার্ধে এই Oscillation টি দেখা যায়। কিসের Oscillation? সমুদ্রের জলের তাপমাত্রার।  ঘড়ির পেন্ডুলামের মতন এদিক ওদিক ছুটে বেড়ায়, অর্থাৎ  জলীয় কারেন্ট আর কি।
তা সমুদ্র বললাম বৈকি, তাই বলে সব সমুদ্রেই এটি হয় নাকি? না না । শুধুমাত্র প্রশান্ত মহাসাগরেই এটি হয়। কারণ দক্ষিণ গোলার্ধে পূর্ব থেকে পশ্চিমে সবচাইতে বেশি এলাকা জুড়ে এটি আছে। আপাতত বিশ্বের মানচিত্রটি খুলে অস্ট্রেলিয়া আর দক্ষিণ আমেরিকার অংশটি ভালো করে লক্ষ্য কর।
এইবারে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূয্যিমামার দাপটে জল বেশ গরম হয়ে যায়, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার মাঝামাঝি অঞ্চলে যা নিরক্ষরেখার কাছাকাছি থাকে। এইবারে দক্ষিণ আমেরিকা দিক থেকে পূর্ব এশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ার দিকে হিমা দাসের মতন দৌড়ে আসা Trade winds বা Tropical Easterlies এই গরম জলরাশিকে ঠেলে পশ্চিমদিকে অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর পূর্ব উপকূলে পাঠিয়ে দেয়। এর ফলে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার অঞ্চলের জলরাশি গরম হয়ে ওঠে। এর ফলে তাপমাত্রা বাড়ে→বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ে→মেঘ সৃষ্টি হয়→ এই অঞ্চলে ভালো বৃষ্টি হয়। এই অঞ্চলের বাতাস গরম হয়ে ওপরে উঠে পূর্বে পেরুর দিকে দৌড়ে যায়। কিন্তু এই বাতাস ট্রোপোস্ফিয়ারের নিচের অংশে থাকা ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এসে কিঞ্চিৎ ঠান্ডা হয়ে যায় ও ট্যাক্স বাবদ নিজের জলীয় বাষ্পের একটি বড় অংশ দিয়ে যায়। ফলে পেরু অবধি পৌঁছতে গিয়ে এই বাতাস শুকনো হয়ে পড়ে ও পেরু-ইকুয়েডর অঞ্চলে ঠান্ডা নেমে আসে ও বৃষ্টিও হয় না।
তাহলে বোঝো, পেরু থেকে বাতাস অস্ট্রেলিয়ার দিকে এসে বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে, উপরে উঠে ঠান্ডা হয়ে আবার পেরুর দিকে ফিরে যাচ্ছে। এটিকে বলে Walker Circulation, অর্থাৎ হাঁটি হাঁটি পা পা, উপরে উঠে পূবে যা।
এটি তো গেল ফি বছর যেটি হওয়া উচিত সেটির কথা, এটি তো আর El Nino নয়। তাহলে El Nino এর সময় এমন কি ঘটে?
ধরা যাক Trade winds বা Tropical Easterlies এর শক্তি কমে গেল। তাহলে কি হবে? যে গরম জলরাশিকে ঠেলে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে পাঠান হচ্ছিল সেটি আর হবে না। এর ফলে সেই জলরাশি ধীরে ধীরে পেরুর দিকে চলে আসবে। এবং পেরু অঞ্চলে সমুদ্রের গভীরে থাকা ঠান্ডা জলরাশি বেগতিক দেখে পেছনের দরজা দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দিকে পালাবে। গরম জল পেরুর দিকে আসা মানে আগের প্রক্রিয়ায় এখানে বৃষ্টি হবে এবং ঠান্ডা জল অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে অবস্থান করে সেই জায়গাটিকে ঠান্ডা ও শুকনো খটখটে করে দেবে। এটিই হল  El Nino যার দরুন ইন্দোনেশিয়া ও ভারতে বৃষ্টি হয় না।
এতো গেল Trade winds অসুস্থ হলে কি হবে তার কথা। এইবারে যদি Trade winds কে
Glucon D আর Boost খাইয়ে চাঙা করে দেওয়া হয়, তখন কি হবে? তখন প্রশান্ত মহাসাগরের সেই বিপুল গরম জলরাশিকে আরও দ্রুতবেগে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার দিকে। এর ফলে এখানে ভারী বৃষ্টি হবে। এই গরম জল ধেয়ে আসার জন্য এখানকার ঠান্ডা জল ওপরদিকে আসার সাহস না করে ডুব সাঁতরে পেরুর দিকে চলে যাবে, যেমনটা পেরু অঞ্চলের জল El Nino  এর সময় করেছিল। এই ডুব সাঁতারের যে পথটি রয়েছে , এটিকে বলা হয় Thermocline। এবং El Nino এর বিপরীতধর্মী ভাইয়ের নামটি হল La Nina অর্থাৎ “ তুই লে, আর বৃষ্টি নিই না। ”
মনে রাখ —
El Nino → পেরুতে বৃষ্টি→এশিয়া শুকনো
La Nina→ এশিয়াতে বৃষ্টি→ পেরু শুকনো ।।

🔴RBI's New Bi-monthly Monetary Policy Rates🔵

Repo Rate- 5.15%
Reverse Repo Rate- 4.90%
Marginal Standing Facility(MSF) Rate- 5.40%
Cash Reserve Ratio(CRR)- 4%
Statutory Liquid Ratio(SLR)- 18.75%
Bank Rate- 5.40%
Important points to remember::
RBI revised real GDP growth rate for 2019-20 to 6.1% from 6.9%...
Consumer price headline inflation has moved in a narrow range of 3.1-3.2 per cent between June and August.
On payment and settlement systems, several measures have been announced. First, collateralised liquidity support, which is currently available till 7.45 pm, will now be available round the clock on all NEFT working days in order to facilitate smooth settlement of National Electronic Funds Transfer on 24x7 basis for members of public from December, 2019.

বিভিন্ন দেশের মুদ্রা (যেগুলো পরীক্ষায় প্রায়শই আসে)


➺ বাংলাদেশ – টাকা।
➺ পাকিস্তান – রুপী।
*➺ ভারত – রুপী।*
➺ শ্রীলংকা – রুপী।
➺ নেপাল – রুপী।
➺ রাশিয়া – রুবল।
➺ চীন – ইউয়ান।
➺ জাপান – ইয়েন।
➺ সিঙ্গাপুর – ডলার।
➺ মালয়েশিয়া – রিংগিট।
➺ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র – ডলার।
➺ অষ্ট্রেলিয়া – অষ্ট্রেলিয়ান ডলার।
➺ নিউজিল্যান্ড – ডলার।
➺ হংকং – ডলার।
➺ জিম্বাবুয়ে – ডলার।
➺ কানাডা – কানাডিয়ান ডলার।
➺ যুক্তরাজ্য – পাউন্ড।
➺ মিশর – পাউন্ড।
➺ লেবানন – পাউন্ড।
➺ ইতালি – ইউরো।
➺ স্পেন – ইউরো।
➺ ফ্রান্স – ইউরো।
➺ গ্রীস – ইউরো।
➺ বেলজিয়াম – ইউরো।
➺ ভ্যাটিক্যান – ইউরো।
➺ পর্তুগাল – ইউরো।
➺ নেদারল্যান্ড – ইউরো।
➺ জার্মানি – ইউরো।
➺ সৌদি আরব – রিয়াল।
➺ ইরান – রিয়াল।
➺ ওমান – রিয়াল।
➺ ব্রাজিল – ব্রাজিলিয়ান রিয়াল।
➺ কাতার – রিয়াল।
➺ ইরাক – দিনার।
➺ কুয়েত – দিনার।
➺ জর্ডান – দিনার।
➺ লিবিয়া – দিনার।
➺ আর্জেন্টিনা – পেসো।
➺ চিলি – পেসো।
➺ কিউবা – পেসো।
➺ উত্তর কোরিয়া – ওয়ান।
➺ দক্ষিন কোরিয়া – ওয়ান।
➺ কেনিয়া – শিলিং।
➺ সুইজারল্যান্ড – ফ্রাংক।
➺ দক্ষিন আফ্রিকা – র্যা ন্ড।
➺ ভুটান – গুলট্রাম।
➺ মায়ানমার – কিয়াট।
➺ আফগানিস্তান – আফগানী।
➺ ইসরাইল – শেকেল।
➺ মরিসাস – রুপী l

বাছাইকরা কিছু বাগধারা


স্বরবর্ণ জনিত অক্ষর দ্বারাঃ-

অ—

অকাল কুষ্মাণ্ড= অপদার্থ, অকেজো।

অকাল বোধন= অসময়ে আবির্ভাব।

অন্ধের যষ্টি= একমাত্র অবলম্বন।

অকূল পাথার= ভীষণ বিপদ।

অক্কা পাওয়া= মারা যাওয়া।

অগস্ত্য যাত্রা= শেষ প্রস্থান।

অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী= সামান্য বিদ্রার অহংকার।

অগাধ জলের মাছ= সুচতুর ব্যক্তি/অত্যন্ত কৌশলী।

অগ্নিশর্মা= নিরতিশয় ক্রুদ্ধ।

অগ্নিপরীক্ষা= কঠিন পরীক্ষা।

অগ্নিগর্ভ= তেজঃপূর্ণ।

অদৃষ্টের পরিহাস= ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।

অর্ধচন্দ্র= গলাধাক্কা।

অন্ধের ষষ্ঠি/অন্ধের নড়ি = একমাত্র অবলম্বন।

অকালকুসুম= অসম্ভব জিনিস।

অকালপক্ব= ইঁচরে পাকা।

অকূল পাথার= সীমাহীন বিপদ/মহাসংকট।

অমাবস্যার চাঁদ= দুর্লভ বস্তু।

অরণ্যে রোধন= নিষ্ফল আবেদন।

অহিনকুল সম্বন্ধ= ভীষণ শত্রুতা।

অক্ষয় বট= প্রাচীন ব্যক্তি।

অষ্টকপাল= আটকপালে/হতভাগ্য।

অষ্টরম্ভা= কাঁচকলা/কিছুই না।

আ—

আদায় কাঁচকলায়= ঘোর শত্রুতা।

আউলিয়া চাঁদ= যে অল্পেই আকুল হয়।

আকাশের চাঁদ= দুর্লভ বস্তু।

আকাশ কুসুম= অসম্ভব কল্পনা।

আক্কেল সেলামি= নির্বুদ্ধিতার দণ্ড।

আক্কেল গুড়ুম= হতবুদ্ধি/স্তম্ভিত।

আক্কেল দাঁত ওঠা= পাকা বুদ্ধি।

আগুনে ঘি ঢালা= রাগ বাড়ানো।

আটকপালে= হতভাগ্য।

আঠার মাসে বছর= দীর্ঘসূত্রিতা।

আদার ব্যাপারী= সামান্য বিষয়ে ব্যস্ত থাকা।

আবোল-তাবোল= বাজে কথা।

আমড়া কাঠের ঢেঁকি= অপদার্থ।

আমড়াগাছি করা= প্রতারণাপূর্ণ তোষামোদ।

আষাঢ়ে গল্প আজগুবি কেচ্ছা।

আঁটকুড়ো= নিঃসন্তান।

আঁকুপাঁকু= অতিরিক্ত ব্যগ্রতা বা ব্যস্ততার ভাব।

আষ্টেপৃষ্ঠে= সারা গায়/সর্বাঙ্গে।

আদিখ্যেতা= ন্যাকামি।

আঁতে ঘা= মনে ব্যথা দেয়া।
ই—

ইঁদুর কপালে= নিতান্ত মন্দ ভাগ্য।

ইঁচরে পাকা= আকালপক্ক।

ইলশে গুঁড়ি= গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

ইতর বিশেষ= পার্থক্য/প্রভেদ।

ইতস্তত করা= সংকোচ করা/গড়িমসি করা।

ইনিয়ে বিনিয়ে= ঘুরিয়ে ফিরিয়ে/নানাভাবে।

ঈ—

ঈদের চাঁদ= অতি কাঙ্খিত বস্তু।

উ—

উত্তম মধ্যম=প্রহার/পিটুনি/মারা।

উনিশ বিশ= সামান্য পার্থক্য।

উভয় সংকট= শাখের করাত।

উলখাগড়া= গুরুত্বহীন লোক।

উলুবনে মুক্ত= অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান।

উড়নচণ্ডী= অমিতব্যয়ী।

উড়ো চিঠি= বেনামি পত্র।

উসখুস করা= ছটফট করা।

উচ্ছন্নে যাওয়া= অধঃপাতে যাওয়া/চরিত্রের অবনতি হওয়া।

ঊ—

ঊনপঞ্চাশ বায়ু= পাগলামী।

ঊনপাঁজরে= হতভাগ্য দুর্বল।

এ—

এক কথার মানুষ= দৃঢ় সংকল্প ব্যক্তি।

এক গোয়ালের গুরু= একই শ্রেণিভূক্ত।

এক চোখা= পক্ষপাতিত্ব।

একমাঘে শীত যায় না= বিপদ একবারই আসে না।

একাদশে বৃহস্পতি= সৌভাগ্যের বিষয়।

এলাহি কাণ্ড= বিরাট আয়োজন।

এলোপাতাড়ি= বিশৃঙ্খলা।

এলেবেলে= নিকৃষ্ট।

এসপার ওসপার= সীমাংসা।

ও—

এজন বুঝে চলা= আত্মমর্যাদা।

ওষুধ ধরা= আকাঙিক্ষত ফল লাভ।

ওষুধ পড়া= প্রভাব পড়া।

ওৎ পাতা= সুযোগের প্রতক্ষায় থাকা।

ব্যঞ্জনবর্ণ জনিত অক্ষর দ্বারাঃ-

ক—

কৈ মাছের প্রাণ= যা সহজে মরে না।

কাক ভূষণ্ডী= সম্পূর্ণ ভেজা/দীর্ঘজীবী।

কাকনিদ্রা= অগভীর সতর্ক নিদ্রা।

কাগুজে বাঘ= মিথ্যা জুজু।

কচু বনের কালাচাঁদ= অপদার্থ।

কেঁচে গণ্ডুষ= পুনরায় আরম্ভ।

কাছা ঢিলা= অসাবধান।

কানাকড়ি= কপর্দক।

কলুর বলদ= এক টানা খাটুনি।

তোদুরস্ত= পরিপাটি।

কানে খাটো= যে কম শুনতে পায়।

কেউকেটা= সর্বেসর্বা।

কূপমণ্ডুক= সীবাবদ্ধ জ্ঞান।

কাঁঠালের আমসত্ত্ব= অসম্ভব বস্ত।

কুল কাঠের আগুন= তীব্র জ্বালা।

কাঠের পুতুল= নির্জব/ অসার।

কংস মামা= নির্মম আত্মীয়।

কুনো-ব্যাঙ= সীমিত জ্ঞান।

কান ভারী করা= কুপরামর্শ দান।

কল্পে পাওয়া= পাত্তা পাওয়া।

কেবলা হাকিম= অনভিজ্ঞ।

কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ= কারো সুদিন, কারও দুর্দিন।

করাতের দাঁত= উভয় সংকট।

কলির সন্ধ্যা= দুঃখের আরম্ভ।

কুরুক্ষেত্র-কাণ্ড= প্রলয়ংকার ব্যাপার/প্রচণ্ড যুদ্ধ।

ক-অক্ষর গোমাংস= বর্ণ পরিচয়হীন।

খ—

খেজুরে আলাপ= অকাজের কথা।

খয়ের খাঁ= চাটুকার।

খোদার খাসি= হৃষ্টপুষ্ট ব্যক্তি

খণ্ড প্রলয়= তুমুল কাণ্ড।

গ—

গড্ডলিকা-প্রবাহ= অন্ধ অনুকরণ।

গায়ে পড়া= অযাচিত।

গো মূর্খ= নিরেট মূর্খ বা কাণ্ডজ্ঞানহীন।

গাছপাথর= নিসাবনিকাশ।

গৌরীসেনের টাকা= অফুরান্ত অর্থ।

গোবরে পদ্মফুল= নীচকুলে মহৎ ব্যক্তি।

গোবর গণেশ= মূর্খ।

গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো= চিন্তাহীন লোক।

গৌরচন্দ্রিকা= ভূমিকা।

গোল্লায় যাওয়া= নষ্ট হওয়া।

গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল= প্রাপ্তির পূর্বেই ভোগের আয়োজন।

গোকুলের ষাঁড়= স্বেচ্ছাচারী/ভবঘুরে।

গোড়ায় গলদ= শুরুতে ভুল।

ঘ—

ঘটিরাম= অপদার্থ।

ঘা খাওয়া= কষ্ট পাওয়া।

ঘাটের মরা= অতি বৃদ্ধ।

ঘোড়ার ডিম= অলীক পদার্থ।

ঘু ঘু চড়ানো= সর্বনাশ সাধন।

চ—

চোখ কপালে তোলা= বিস্মিত হওয়া।

চোখের নেশা= রূপের মোহ।

চোখের বালি= চক্ষুশূল।

চোখের চামড়া= নির্লজ্জ।

চাঁদের হাট= প্রিয়জনের সমাগম।

চুনোপুটি= সামান্য লোক।

চিনির বলদ= ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়।

চিনির পুতুল= শ্রমকাতুরে।

চক্ষুদান করা= চুরি করা।

ছ—

ছ’ কড়া ন’ কড়া= সস্তা দর।

ছা পোষা= অত্যন্ত গরিব।

ছক্কা পাঞ্জা করা= লম্বা লম্বা কথা বলা।

ছুঁচোর কেত্তন= অবিরাম কলহ।

ছারখার হওয়া= ধ্বংস হওয়া।

ছিচ্‌কাঁদুনে= অল্পতেই কাঁদে এমন।

জ—

জগদ্দল পাথর= গুরুভার।

জিলাপির প্যাঁচ= কুটিলতা।

জগাখিচুড়ি পাকানো= গোলমাল বাধানো।

জলে কুমির ডাঙ্গায় বাঘ= উভয় সংকট।

ঝ—

ঝাঁকের কই= এক দলের লোক।

ঝিকে মেরে বৌকে শিখান= আভাসে শিক্ষা।

ঝোপ বুঝে কোপ মারা= অবস্থা বুঝে সুযোগ গ্রহণ।

ট—

টইটম্বুর= ভরপুর।

টনক নড়া= সচেতন হওয়া।

টীকাভাষ্য= দীর্ঘ আলোচনা।

ঠোঁটকাটা= স্পষ্টভাষী।

টক্কর দেওয়া= প্রতিযোগিতা করা।

ঠ—

ঠোঁট ফুলানো= অভিমান করা।

ঠেলার নাম বাবাজী= চাপে পড়ে কাবু হওয়া।

ঠাওর করা= বুঝতে পারা/ অনুভব করা।

ঠাটঁ বজায় রাখা= অভাব চাপা রাখা।

ড—

ডাকাবুকো= দুরন্ত।

ডুমুরের ফুল= অদুশ্য বস্তু/ অমাবস্যার চাঁদ।

ডান হাতের ব্যাপার= আহার/ ভোজন।

ডামডোল= গোলযোগ।

ঢ—

ঢেঁকির কচকচি= কলহ।

ঢক্কা নিনাদ= উচ্চকন্ঠে ঘোষণা।

ঢাকের কাঠি= তোষামুদে।

ঢাকের বাঁয়া= মূল্যহীন।

ঢাকে কাঠি পড়া= সূচনা হওয়া।

ঢলাঢলি= পরস্পর কেলেঙ্কারি।

ঢাক ঢাক গুড় গুড়= লুকোচুরি।

ত—

তাসের ঘর= ক্ষণস্থায়ী।

তিলকে তাল করা= অতিরিক্ত করা।

তুর্কি নাচন= নাজেহাল অবস্থা।

তীর্থের কাক= সাগ্রহ প্রতীক্ষাকারী।

তামার বিষ= অর্থের কু-প্রভাব।

তাল কানা= বেতার হওয়া।

তেলো হাঁড়ি= গম্ভীর।

তেল-নুন-লকড়ি= খাদ্য বা খাদ্যের উপকরণ।

তুষের আগুন= দগ্ধকারী দুঃখ।

তুলসী বনের বাঘ= ভণ্ড।

ত্রিশঙ্কু অবস্থা= মধ্যাবস্থা।

থ—

থরহরি কম্প= ভয়ে প্রচণ্ড কাঁপা।

থ’ হয়ে যাওয়া, থতমত খাওয়া= কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া।

থোড়ই কেয়ার করা= বিন্দুমাত্র সমীহ বা গ্রাহ্য না করা।

থানা পুলিশ করা= নালিশ করা।

থ বনে যাওয়া= স্তম্ভিত হওয়া।

দ—

গা-কুমড়া= অহিনকুল।

দাঁও মারা= মোটা অংক লাভ করা।

দুধের মাছি= সু সময়ের বন্ধু।

দুধে ভাতে থাকা= ভোগে বা ঐশ্বর্যে থাকা।

দস্ত-ব-দস্ত= হাতে হাতে।

দহরম মহরম= অন্তরঙ্গতা।

ধ—

ধর্মের ঢাক আপনি বাজে= পাপ গোপন না থাকা।

ধনকুবের= অত্যন্ত ধনী ব্যক্তি।

ধোপে টেকা= নানা বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে টিকে যাওয়া।

ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির= ধার্মিক।

ধর্মের কল= সত্য।

ধর্মের ষাঁড়= স্বেচ্ছাচারীতা ব্যক্তি।

ধামাধরা= চাটুকারিতা।

ধরি মাছ না ছুঁই পানি= কৌশলে কার্যসিদ্ধি।

ধরাকে সরা জ্ঞান করা= কাউকে গ্রাহ্য না করা।

ন—

ননীর পুতুল= শ্রমবিমুখ।

নখদর্পণে থাকা= পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আয়ত্তে থাকা।

নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ= নিজের ক্ষতি করে পরের ক্ষতিসাধন।

নেই আঁকড়া= একগোঁয়ে।

নকড়া ছকড়া= হেরাফেলা করা।

নবমীর দশা= মূর্ছা।

নিরানব্বইয়ের ধাক্কা= সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি।

নয় ছয়= অপচয়।

প—

পটল তোলা= মারা যাওয়া।

পান্তা ভাতে ঘি= অপব্যবহার।

পালের গোদা= দলপতি।

পায়াভারী= অহংকার।

পাথরে পাঁচকিল= অদৃষ্ট যার সুপ্রসন্ন।

পোয়াবারো= সৌভাগ্য।

ফ—

ফোঁড়ন দেয়া= উত্তেজনাকর টিপ্পনী কাটা।

ফপর দালালি= গায়ে পরে মধ্যস্থগিরি।

ফাঁটা-কপাল= মন্দভাগ্য।

ফেটে ওঠা= ধনবান হওয়া।

ফুলের আঘাত= সামান্য দুঃখ কষ্ট।

ব—

বক ধার্মিক= ভণ্ড সাধু।

বুকের পাটা= সাহস।

বাঁ হাতের ব্যাপার= ঘুষ গ্রহণ।

বেগার ঠেলা= বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করা।

বাঘের আড়ি= নাছোড়বান্দা/ দুশমণি।

বাঘের দুধ/চোখ=দুঃসাধ্য বস্তু।

ব্যাঙের সর্দি= অসম্ভব ঘটনা।

ব্যাঙের আধুলি= সামান্য সম্পদ।

বর্ণচোরা আম= কপট ব্যক্তি।

বিনা মেঘে বজ্রপাত= আকস্মিক বিপদ।

বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে= জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর।

বারো মাসে তেরো পার্বণ= উৎসবের আধিক্য।

বারো ভূত= আত্মীয় লোকজন।

বালির বাঁধ= অস্থায়ী বস্তু।

বিষের পুটলি= হিংসুটে/বিদ্বেষী।

বস্তন্তের কোকিল= সুসময়ের বন্ধু।

বিসমিল্লায় গলদ= গোড়ায় গলদ।

বিড়াল তপস্বী= ভণ্ড সাধু।

বিড়ালের খুদ= শ্রদ্ধার সামান্য উপহার।

বুদ্ধির টেঁকি= নিরেট মূর্খ।

বাড়া ভাতে ছাই= আশা ভঙ্গ।

ভ—

ভুঁই ফোড়= অর্বাচীন/নতুন।

ভিজে বিড়াল= কপটচারী।

ভিটায় ঘুঘু চড়ানো= সর্বনাশ করা।

ভূতের ব্যাগার= অযথা শ্রম।

ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ= অপব্যয়।

ভানুমতির খেলা= যাদুবিদ্যা।

ভরাডুবি= সর্বনাশ।

ভূশণ্ডির কাক= দীর্ঘজীবী।

ভেরেণ্ডা ভাজা= অকাজের কাজ।

ভস্মে ঘি ঢালা= নিষ্ফল কাজ।

ভবলীলা সাঙ্গ হওয়া= মারা যাওয়া।

ম—

মগের মুল্লুক= অরাজক দেশ।

মাছের মা= নির্মম।

মাকাল ফল= অন্তঃসারশূন্য।

মাটির মানুষ= নিরীহ ব্যক্তি।

মহাভারত অশুদ্ধ= বড় রকমের অপরাধ।

মামার বাড়ির আবদার= সহজে মেটে এমন আকাঙ্খা।

মাথা খাওয়া= সর্বনাশ করা।

মোমের পুতুল= সামান্য পরিশ্রমেই কাতর হয় এমন লোক।

য—

যক্ষের ধন= অতিশয় কৃপণের ধন।

যমের অরুচি= সহজে যে মারা যায় না এই অর্থে।

যমের দোসর= নিষ্ঠুর ব্যক্তি।

যত গর্জে তত বর্ষে না= আড়ম্বরের তুলনায় কাজ কম।

যার লাঠি তারমাটি= জোর যার মুল্লক তার।

যাহা বাহান্ন তাহা তেপ্পান্ন= খুব সামান্য তফাত।

র—

রুই-কাতলা= পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।

রাঘব বোয়াল= সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি।

রাজঘোটক= চমৎকার মিলন।

রাবণের চিতা= চির অশান্তি।

রাবণের গোষ্ঠী= বড় পরিবার।

রাম রাজত্ব= শান্তি-শৃঙ্খলাযুক্ত রাজ্য।

রামগরুড়ের ছানা= গোমড়ামুখো লোক।

রাশভারি= গম্ভীর প্রকৃতির।

রক্তের টান= স্বজনপ্রীতি।

ল—

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার= অফুরন্ত ভাণ্ডার।

লঙ্কাকাণ্ড= তুমুল কাণ্ড।

লেফাফা দুরস্ত= বাইরে পরিপাটি।

লগন চাঁদ= ভাগ্যবান।

লক্কা পায়রা= ফুলবাবু।

লম্ব দেয়া= চম্পট দেয়া।

শ—

শরতের শিশির= সুসময়ের বন্ধু।

শকুনি মামা= কুচক্রী লোক।

শাঁখের করাত= উভয় সংকট।

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা= দোষ গোপনের বৃথা চেষ্টা।

শনির দশা= দুঃসময়।

শনির দৃষ্টি= কুদৃষ্টি।

শাপে বর= অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।

শিরে সংক্রান্তি= আসন্ন বিপদ।

শিয়ালের যুক্তি= অকেজো যু্ক্তি।

শিবরাত্রির সলতে= একমাত্র বংশধর।

শ্রম রাখি না কুল রাখি= উভয় সংকট।

ষ—

ষোলআনা/ষোলকলা= সম্পূর্ণ।

ষণ্ডামার্কা= একগুঁয়ে ও বলিষ্ঠ।

ষোল কড়াই কানা= সম্পূর্ণ বিনষ্ট।

স—

সাক্ষীগোপাল= কর্তৃত্বহীন দর্শকমাত্র।

সুখের পায়রা= বিলাসী/সুসময়ের বস্তু।

সাত পাঁচ ভাবা= নানারকম চিন্তা।

স-সে-মি-রা অবস্থা= কাণ্ডজ্ঞানহীন অবস্থা।

সরিষার ফুল দেখা= চোখে আঁধার দেখা।

সোনার পাথরবাটি= অসম্ভব বস্তু।

সোনায় সোহাগা= মণি কাঞ্চন যোগ।

সাপে নেইলে= শত্রুভাবাপন্ন।

স্বখাত সলিল= নিজ বিপদ ডাকা।

হ—

হ-য-ব-র-ল= বিশৃঙ্খলা।

হাতির পাঁচ পা দেখা= দুঃসাহসী হওয়া।

হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা= সুযোগ হেলায় হারানো।

হরিষে বিষাদ= আনন্দে বিষাদ।

হাড় হাভাতে= হতভাগ্য।

হাড়হদ্দ= নাড়ি নক্ষত্র।

হস্তীমুর্খ= বোকা।

হাড় জুড়ানো= শান্তি পাওয়া।

হালে পানি পায় না= অকৃতকার্য হওয়া।

হাতটান= চুরির অভ্যাস।

হাটে হাঁড়ি ভাঙ্গা= গোপ কথা ফাঁস করা।

সম্বিতম্বি= তর্জন-গর্জন।

Daily Current Affairs 25/9/19

1.২০১৯ দাদা সাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ডে সম্মানীত হচ্ছেন প্রখ্যাত বলিয়ুড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন
2.মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের গুডউইল অ্যাম্বাস্যাডর হিসাবে নিযুক্ত হলেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত
3.আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে সবথেকে কনিষ্ঠতম মহিলা হিসাবে ভারতের হয়ে খেলবে Shafali Verma, যার বয়স ১৫ বছর
4.দিল্লিতে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্ট্রিট লাইট যোজনার’ ঘোষণা করলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, এই যোজনার আওতায় ২.১ লক্ষ স্ট্রিট লাইট লাগানো হবে
5.অরুনাচল প্রদেশের প্রথম মহিলা Lieutenant Colonel হলেন Ponung Doming
6.জাপানের সাসেবো উপকূলে ‘Malabar 2019’-নামে ত্রিপাক্ষিক সেনা অনুশীলন শুরু করলো যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং ভারত
7.২০২১ সালের মধ্যে ইউরোপে ডিজেল চালিত গাড়ি বিক্রি বন্ধ করবে Honda কোম্পানী
8.মায়ানমারে অনুষ্ঠিত World 6Reds Title জিতলেন ভারতের Laxman Rawat
9.জাতীয় ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় অবদানকারীদের সম্মান জানাতে ‘Sardar Patel National Unity Award’-এর সূচনা করলো সরকার
10.IIT Delhi-এর দ্বারা ‘Distinguished Alumni Award’-এ সম্মানিত হচ্ছেন ফ্লিপকার্ট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা Binny Bansal

Daily Current Affairs 26/9/19


1.‘World Maritime Day’ পালন করা হয় ২৬শে সেপ্টেম্বর; এবারের থিম ছিল ‘Empowering women in the maritime community’
2.পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্য সচিব হিসাবে নিযুক্ত হবেন রাজীব সিনহা
3.চিনের বেজিং-এ তারামাছ আকৃতির বিমানবন্দরের উদ্বোধন করলেন চিনের রাষ্ট্রপতি Xi Jinping
4.‘2019 IIFL Wealth Hurun India Rich’ তালিকায় শীর্ষস্থানে আছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানী
5.২ বছরের জন্য Visa-নামক পেমেন্ট কোম্পানীর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর হিসাবে নিযুক্ত হলেন পি.ভি. সিন্ধু
6.‘IAAF Veteran Pin Award’-এ সম্মানিত হলেন ভারতের প্রাক্তন দৌড়বিদ পি.টি. উষা
7.ভারতের জাতীয় মহিলা ব্যাডমিন্টন টিমের কোচ পদ থেকে পদত্যাগ করলেন Kim Ji-Hyun
8.ভারতের কোস্ট গার্ডের জন্য ‘Varaha’-নামে জল জাহাজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং
9.Skolkova Fides Grand Prix 2019 শিরোপা জিতলেন ভারতের মহিলা দাবা খেলোয়াড় Koneru Hampi
10.Bill and Melinda Gates Foundation-এর দ্বারা ‘Changemaker’-এ সম্মানীত হলেন  রাজস্থানের ১৭ বছর বয়সী Payal Jangid

Daily Current Affairs 4/10/19


1.World Animal Day পালন করা হয় প্রতি বছর ৪ঠা অক্টোবর
2.ভারতের ১২টি পর্যটন স্থানের ভ্রমন গাইডের জন্য ‘Audio Odigos’-নামে একটি মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ করলো ভারতের পর্যটন মন্ত্রালয়
3.দিল্লি-লক্ষ্ণৌ তেজাস এক্সপ্রেস কোনরূপ দেরী করলে যাত্রীদের ক্ষতি পূরণ দেওয়ার ঘোষণা করলো IRCTC
4.বিদ্যুৎ চুরি বন্ধ করতে ‘Urjagiri’-নামে একটি সচেতনতামূলক অভিযান শুরু করলো উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী Trivendra Singh Rawat
5.গ্রীসে ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিযুক্ত হলেন Amrit Lugun
6.‘PCA Player of the Year’ অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত হলেন ইংল্যান্ডের অল-রাউন্ডার ক্রিকেটার Ben Stokes
7.2019 UNHCR Nansen Refugee Award পেলেন কিরগিস্তানের মানবাধিকার আইনজীবী Azizbek Ashurov
8.দক্ষিন প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র Niue-তে ভারতের পরবর্তী হাই-কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হলেন Muktesh Kumar Pardeshi
9.India Economic Summit অনুষ্ঠিত হলো ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে
10.অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত হলেন Jitendra Kumar Maheshwari