Fund Related Economics

 ●সরকার আর নাগরিকদের মধ্যে এবং নাগরিকদের জন্য(বিভিন্ন পরিষেবা দিতে) বিভিন্ন রকম যে আর্থিক লেনদেন হয়,তার হিসেব রাখার জন্য তিন ধরনের ফান্ড রয়েছে--


 1.Consolidated Fund, এখানে সরকারই মালিক,মানে ফান্ডের টাকা সে কীভাবে খরচ কবে,কোথায় খরচ করবে সেটা তার ব্যাক্তিগত বিষয়;তবে যাচ্ছেতাই করতে পারে না।টাকা বের করার জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন জরুরি,বাজেট সেশনের সময় Appropriation Bill এনে ভোটাভুটি করিয়ে সেই বিল পাশ করাতে হবে।


2.Public Account, এটা মূলত পাব্লিকের টাকা,সরকারকে রাখতে দিয়েছে,তাই সরকার এখানে ম্যানেজার/ব্যাঙ্কার।সরকার ওই টাকা ফেরত দিতে বাধ্য।যেমন,বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদী সঞ্চয়ী প্রকল্পগুলোয়(কিষাণ বিকাশ পত্র,প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি) মানুষ টাকা জমায়,স্কিম ম্যাচিওর হলে ফেরত পেয়ে যায়। 


3.Contigency Fund,জরুরি অবস্থার জন্য কখনো টাকার দরকার হলে এই ফান্ডের টাকা ব্যবহার হয়। তবে এর আয়তন সামান্য,মাত্র ৫০০ কোটি।শেষ হলে পার্লামেন্টের অনুমোদন সাপেক্ষে আবার Consolidated Fund থেকে বের করতে হয়।


● ৯০% সরকারি স্কিমের খরচপত্র Consolidated Fund থেকেই মেটানো হয়।কৃষি,পশুপালন,শিল্প,

শিক্ষা,স্বাস্থ্য,রাস্তাঘাট,স্কুল,কলেজ,খনিজ উত্তোজন,শক্তি উৎপাদন,সেচপ্রকল্পের খরচ,ডাকব্যবস্থার খরচ,ডিফেন্সের খরচ,

পিএসসির খরচ ইত্যাদি সমস্তকিছু। 


● বিশেষ কিছু সেক্টরের নির্দিষ্ট কিছু স্কিম/পরিকল্পনার খরচ চালানোর জন্য গড়ে তোলা 'Reserve Fund'এর লেনদেনের হিসেব রাখা হয় Public Account এর মধ্যে।এই ফান্ডগুলোর অর্থ নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য 'রিজার্ভড'।যেমন,Central Road & Infrastructure Fund. এই ফান্ডে টাকা ঢোকে পেট্রোল বা ডিজেলের এক্সাইজ ডিউটির(Excise Duty) ওপর চাপানো সেস(Cess) থেকে;খরচ হয় মূলত সড়ক ও জলপরিবহন এবং কিছুটা রেলপরিবহন,

স্কুল-কলেজ তৈরি ইত্যাদিতে।সাধারণত Road Transport এর বার্ষিক যা 'নিয়মিত' খরচ থাকে,যেমন রাস্তায় গর্ত হয়ে গেছে,নতুন পিচ ঢালতে হবে,ফুটপাথ তৈরি করতে হবে ইত্যাদির টাকা Consolidated Fund থেকে দেওয়াই হয়,কিন্তু এর বাইরেও সরকার যদি কোনো Ambitious Policy নিয়ে থাকে,যেমন ঠিক করল যে আগামী ৫ বছরে ৫০০০ মাইল নতুন Expressway তৈরি করবে,তার জন্য অতিরিক্ত ট্যাক্স/সেস চাপিয়ে এই ধরনের Reserve Fund তৈরি করে থাকে।সরকারেরও হিসেব রাখতে সুবিধা হয়।


● Public Account এ আরেকটা Head/Entry দেখতে পাওয়া যায় -- Suspense. ধরো,কোনো কোম্পানিতে এক একাউন্ট্যান্ট আছে,year ending'এ জমা খরচের হিসেব মেলাতে গিয়ে সে দেখল,হিসেব মিলছে না,দেখা যাচ্ছে Cash Debit হয়েছে ১০ লাখ;Credit হয়েছে ৯ লাখ ৯০ হাজার।ফলে এই ১০ হাজার টাকা কে দেবে? ছোটো কোম্পানি হলে তাকেই সেটা মেটাতে হবে।..ত এই যে গরমিলের অঙ্কটা,সেইটাই হিসেব করা হয় Suspense Account এ।সরকারেরও তরফেও কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়,সেখানেও তাই Suspense Account থাকে(Public Account এর মধ্যে)। 


●Cess এর টাকা কোন একাউন্টে জমা পড়ে? --কিছু বলে না দিলে Consolidated Fund এ।কিন্তু যদি পার্লামেন্ট বলে দেয় অমুক সেস'এর টাকা Public Account এর তমুক Reserve Fund এ জমা হবে,সেক্ষেত্রে সেটাই হবে।


●Public Account থেকে টাকা বের করতে কী পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগে না?-- সাধারণত লাগে না।তবে Reserve Fund-এর জন্য লাগে।


●Consolidated Fund থেকে টাকা বের করতে পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগবেই?-প্রায় লাগবেই।তবে নির্দিষ্ট কিছু Items(Charged Items)এর ক্ষেত্রে কোনো বিল/ভোটাভুটি লাগে না।যেমন,-- 


President’s Emoluments and allowances and other expenditure relating to his office.


Chairman and the Deputy Chairman of the Rajya Sabha and the Speaker and the.


 Deputy Speaker of the Lok Sabha – Salaries and allowances.


Salaries, allowances and pensions of the Supreme Court’s judges.


Pensions of the High Courts’ judges.


Comptroller and Auditor General of India’s salaries, allowances and pensions.


Salaries, allowances and pension of the chairman and members of the Un


ion Public Service Commission etc.

বাঙলার ইতিহাস : আদি মধ্যযুগ

 💠 শশাঙ্ক:---

১.বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা।First independent ruler of bengal.

২.৬০৬ খ্রিষ্টাব্দে ইনি গৌড়ের সিংহাসনে বসেন।

৩.সিংহাসনে আরোহণ করে তিনি 'বঙ্গাব্দ' চালু করেন।

৪.রাজধানী--কর্ণসুবর্ণ(মুর্শিদাবাদ জেলায়)।

🔺কর্ণসুবর্ণের লিপিতাত্ত্বিক প্রমাণ মেলে কামরূপের শাসক ভাস্করবর্মণ-এর নিধনপুর দানপত্র থেকে। এ দানপত্রটি কর্ণসুবর্ণের বিজয় ছাউনি (জয়-সরদ-অনবর্থ-স্কন্ধবারাত কর্ণসুবর্ণ-বাসকাত) থেকে প্রদান করা হয়েছিল। এতে জানা যায় যে, স্বল্প সময়ের জন্য গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ কামরূপের শাসক ভাস্করবর্মণের হাতে চলে গিয়েছিল।বৌদ্ধ মঠ ছাড়াও এখানে পঞ্চাশটি দেব মন্দিরও ছিল।

৫.ইনি ছিলেন শৈব ধর্মাবলম্বী।

৬.কথিত আছে,ইনি নাকি বোধিবৃক্ষ ধ্বংস করেছিলেন।

৭.কনৌজের হর্ষবর্ধনের সাথে শশাঙ্কের বিবাদ বাধে।কিন্তু তাঁর জীবিত অবস্থায় হর্ষবর্ধন বাংলা দখল করতে পারেন নি।

৮.প্রজাদের জলকষ্ট দূর করার জন্য শরশঙ্ক নামে একটি দীঘি খনন করেন।

৯.উপাধি-- শ্রীমহাসামন্ত,নরেন্দ্রাদিত্য।

১০.হর্ষের সভাকবি বাণভট্টের হর্ষচরিতে,শশাঙ্ককে 'গৌড়াধম' ও 'গৌড়ভুজঙ্গ' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

১১.তাঁর মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন রাজা মানব।কিন্তু ইনি শশাঙ্কের মত পরাক্রমশালী ছিলেন না।ফলত হর্ষবর্ধন এবং কামরূপরাজ(আসাম) ভাস্করবর্মন একে পরাজিত করেন।এরপরই বাংলার সিংহাসনে শূন্যতার সৃষ্টি হয়।শুরু হয় মাৎস্যন্যায়ের কাল(৬৩৭-৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ)

💠💠পাল বংশ :--

🔘শশাঙ্কের পতনের পর প্রায় একশ বছরেরও বেশি সময় ধরে যোগ্য রাজার অভাবে বাংলায় অরাজক পরিস্থিতির তৈরি হয়। স্থানীয় জমিদার,জোতদারদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। মৎস্য জগতে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে খায়, তেমনি বাংলায় এই সময় শক্তিমানেরা দুর্বলদের উপর নিরন্তর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল। দেশের জনসাধারণের দুর্দশার অন্ত ছিল না। ব্যবসাবাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। রৌপ্যমুদ্রার আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সর্বোপরি বাংলার প্রধান বন্দর তাম্রলিপ্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। এমত অবস্থায় ৭৫০ সালে বাংলার 'প্রকৃতিপুঞ্জ' গোপালকে বাংলার সিংহাসনে বসিয়ে নতুন যুগের সূচনা করে।ইনিই পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।

🔘সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিত,ঘনারাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল ইত্যাদিতে এদের ক্ষত্রিয় বলা হয়েছে।রামচরিত স্রষ্টার মতে এরা ছিলেন সূর্য বংশীয় রাজপুত।

🔘অন্যদিকে 'মঞ্জুশ্রী মূলকল্প'(তান্ত্রিক বৌদ্ধ শাস্ত্র) অনুসারে এরা ছিলেন শূদ্র।

🔘আইন-ই-আকবরী বলছে,পাল রাজারা জাতিতে 'কায়স্থ'।

🔘রামচরিতে বরেন্দ্রভূমি অর্থাৎ উত্তরবঙ্গকে পাল রাজাদের পিতৃভূমি ("জনকভূ") বলা হয়েছে।

♦প্রতিষ্ঠাতা--গোপাল

♦শ্রেষ্ঠ রাজা--দেবপাল

♦শেষ রাজা--গোবিন্দপাল

♦রাজাদের ধর্ম-- মূলত বৌদ্ধ। 

♦রাজধানী--

গৌড়(গোপাল),
সোমপুর(ধর্মপাল),
মুঙ্গের(দেবপাল),
রামাবতী(রামপাল)।

🚩 গোপাল(৭৫০-৭৭০)
 :--

১.পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।

২.ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রশাসন থেকে তাঁর সম্পর্কে জানা যায়। 

৩.গোপালের বাবার নাম ছিল ব্যাপত ও দাদুর নাম দয়িতবিষ্ণু(খালিমপুর)।

৪.ইনি মগধে ওদন্তপুরী বিহার নির্মাণ করেন।

৫.উপাধি-- পরমসৌগত।

🚩ধর্মপাল(৭৭০-৮১০):--

১.এঁর আমলেই কনৌজের সিংহাসনের দখল নিয়ে প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূটদের সাথে 'ত্রি-শক্তি'র লড়াইয়ের সূচনা হয়।

২.প্রতিহার রাজ বৎস্যরাজের সাথে ধর্মপালের যুদ্ধ বাধে।যুদ্ধে ধর্মপাল হেরে যান।কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে রাষ্ট্রকূটরাজ ধ্রুব,কনৌজ আক্রমণ করে বৎস্যরাজকে হারিয়ে দেন।বৎস্যরাজ রাজস্থানে পালিয়ে যান।কিছুদিন পর ধ্রুবও কনৌজের সিংহাসনে নিজের এক ডেপুটিকে নিয়োগ করে নিজ রাজ্যে ফিরে যান।এই সুযোগে ধর্মপাল আবার কনৌজ আক্রমণ করেন।

৩.নারায়ণ পালের 'ভাগলপুর তাম্রশাসন' থেকে জানা যায়, রাষ্ট্রকূট রাজ ধ্রুব ফিরে গেলে ধর্মপাল কনৌজের ডেপুটি গভর্নর ইন্দ্রায়ুধকে পরাজিত করে নিজের এক মহাসামন্ত চক্রায়ুধকে কনৌজের সিংহাসনে বসান।

৪.ইনি সোমপুরে নতুন রাজধানী নির্মাণ করেন।

৫.বিক্রমশীল বিশ্ববিদ্যালয়, সোমপুরি মহাবিহার নির্মাণ করেন।

৬.নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার করেন।

৭.উপাধি---

বিক্রমশীল,
উত্তরাপথস্বামী,
বঙ্গপতি,
গৌড়েশ্বর। 

🚩দেবপাল(৮১০-৮৫০)
:--

১.পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন দেবপাল।

২.ইনি মুঙ্গেরে রাজধানী স্থানান্তরণ করেন।

৩.সেনাপ্রধান---জয়পাল।

৪.মন্ত্রী--দর্ভপানি।

৫.বিষ্ণুভদ্রের 'বাদল স্তম্ভলেখ' থেকে জানা যায়, তাঁর রাজ্য হিমালয় থেকে বিন্ধ্য পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

৬.ইনি কম্বোজ আক্রমণ করেন।সেই দেশে ভালো যুদ্ধ ঘোড়া পাওয়া যেত।

৭.বহির্ভারতের সাথে ভালো যোগ ছিল।সুমাত্রার শৈলেন্দ্র রাজা বলপুত্রদেবকে নালন্দায় একটি বিহার নির্মাণের খরচ চালানোর জন্য ৫ টি গ্রাম দান করেন।

৮.দেবপাল রাষ্ট্রকূটরাজ অমোঘবর্ষকে পরাজিত করেন।

৯.আরব পর্যটক সুলেইমান তাঁর সময়ে বাংলায় আসেন।

১০.উপাধি:--

পরমেশ্বর,
মহারাজাধিরাজ।

🔘দেবপালের মৃত্যুর পর যোগ্য উত্তরাধিকারীর অভাবে পাল বংশের পতনের সূচনা হয়।এই সময়ের কয়েকজন দুর্বল রাজা ছিলেন শূরপাল,বিগ্রহপাল,
ন্যায়পাল প্রমুখ।প্রতিহার,রাষ্ট্রকূট ও চান্দেল রাজারা বারংবার আক্রমণ করেন।অবশেষে হরিকলের(এখনকার দক্ষিণ পূর্ব বাংলা) কান্তিদেব,দ্বিতীয় বিগ্রহপালকে সিংহাসনচ্যুত করে 'চন্দ্র বংশ'এর প্রতিষ্ঠা করেন।এদের রাজধানী ছিল--- বিক্রমপুর।

🚩💠প্রথম মহীপালের আমলে আবার পাল বংশের উত্থান ঘটে। ইনি চন্দ্র রাজাদের পরাজিত করেন।

🚩প্রথম মহীপালের সময়েই রাজেন্দ্র চোল বাংলা এবং সুলতান মামুদ ভারত আক্রমণ করেন।

🚩💠দ্বিতীয় মহীপালের আমলে দিব্যকের নেতৃত্বে বাংলায় 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' ঘটে।

🚩💠রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করেন।

🚩পাল বংশের শেষ শক্তিশালী রাজা ছিলেন-- রামপাল।

🚩রামপাল গঙ্গায় ডুবে আত্মহত্যা করেন।

💠অন্যান্য তথ্য :--

১.পাল যুগেই আদি বাংলার প্রথম লেখ্য নিদর্শন---চর্যাপদ পাওয়া যায়। 

২.পাল রাজাদের প্রধান যুদ্ধ হাতিয়ার ছিল---হাতি🐘।

৩.পালরাজারা ছিলেন মহাযান বৌদ্ধ মতের অনুসারী  

৪.এই সময়ের দুজন বিখ্যাত ভাস্কর ছিলেন-- ধীমান ও বীতপাল।

৫.নারায়ণ পাল একটি শিব মন্দির নির্মাণ করেন।

৬.এই সময়ে টেরাকোটার বিকাশ ঘটে।

৭.সমগ্র সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশ বা 'ভুক্তি'তে বিভক্ত ছিল।

♦সাম্রাজ্য--ভুক্তি--বিশ্য---মন্ডল---গ্রাম।

৮.কয়েক রকম কর---

ভাগ--কৃষিজ শস্যের ওপর।১/৬ অংশ।

ভোগ-- ফুল ও সব্জি।

কর-- ইনকাম ট্যাক্স।

হিরণ্য-- শস্যের বদলে নগদ মুদ্রায় কর দিলে।

৯.উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ---

🔘চক্রপাণি দত্তের 'চিকিৎসা সংগ্রহ','আয়ুর্বেদদীপিকা','ভানুমতি'।

🔘জীমূতবাহনের 'দায়ভাগ'(স্বামীর সম্পত্তিতে বিধবার অধিকার)।

🔘সুরেশ্বরের 'শব্দপ্রদীপ'।

💠সেন বংশ.(১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ):--

🔘প্রতিষ্ঠাতা---সামন্ত সেন(চালুক্য রাজাদের সামন্ত)।

🔘প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা--বিজয়সেন।

🔘রাজধানী--

বিজয়পুরী(বিজয়সেন)

নবদ্বীপ(বল্লাল সেন)

লখনৌতি(লক্ষণ সেন)

রাজাদের ধর্ম-- হিন্দু।

🚩বিজয়সেন---

১.সেন বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।

২.ইনি পালরাজা মদন পালকে পরাজিত করেন।

৩.ব্যারাকপুর তাম্রলেখ থেকে এঁর সম্পর্কে জানা যায়। 

৪.সভাকবি---শ্রীহর্ষ।রচনা করেন 'বিজয় প্রশস্তি'।

৫.উপাধি-- অরিরাজ বৃষভশঙ্কর।

🚩বল্লাল সেন--

১.চালুক্য রাজকন্যা রামদেবীকে বিয়ে করেন।

২.শেষ পাল রাজা গোবিন্দ পালকে পরাজিত করেন।

৩.কৌলিন্য প্রথার সূচনা করেন।

৪.নিজে 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামে দুটি বই লেখেন।

৫.আনন্দভট্ট লেখেন 'বল্লালচরিত'।

৬.উপাধি--'অরিরাজ নিঃশঙ্ক শঙ্কর'।

🚩লক্ষণ সেন----

১.শেষ শক্তিশালী রাজা।

২.মিনহাজ-ই-সিরাজের 'তাবাকত-ই-নাসিরি'তে তাঁর সম্পর্কে লেখা আছে।

৩.গাড়োয়াল রাজ জয়চন্দ্রকে পরাজিত করেন এবং তাকে মগধ থেকে বিতাড়িত করে কাশী ও প্রয়াগে 'বিজয়স্তম্ভ' স্থাপন করেন।

৪.ইনি ছিলেন বৈষ্ণব। 

৫.তাঁর সময়ে বকতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ(১২০২) ও নালন্দা ধ্বংস করেন।

৬.উপাধি---'গৌড়েশ্বর',
'অরিরাজ মদন শঙ্কর'।

💠🔴বখতিয়ার খলজীর বাংলা আক্রমণের মধ্যে দিয়ে বাংলায় মুসলমান শাসনের পত্তন ঘটে।এরপর  
দিল্লি সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিস ১২২৫ সালে বাংলাকে দিল্লির একটি প্রদেশ হিসাবে ঘোষণা করেন। 

🚩দিল্লি সুলতানরা নিযুক্ত গভর্নরদের মাধ্যমে বাংলায় শাসন করার চেষ্টা করে। কিন্তু দিল্লির সাথে বাংলার দূরত্বের বেশি হওয়ায় যথেষ্ট পরিমাণের সাফল্য পাওয়া যায়নি। উচ্চাভিলাষী গভর্নররা বিদ্রোহ করেছিলেন এবং দিল্লি সুলতান দ্বারা সামরিকভাবে দমন না করা অবধি স্বাধীন শাসক হিসাবে শাসন করতেন। 

💠🔘১৩২৫ সালে, দিল্লি সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক প্রদেশটিকে তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে পুনর্গঠিত করেছিলেন, সোনারগাঁও কেন্দ্রিক পূর্ব বাংলার শাসন, গৌড় উত্তরবঙ্গ 
শাসন
করে,এবং সাতগাঁও দক্ষিণবঙ্গ শাসন করে। এমনকি এই ব্যবস্থাও ভেঙে যায়।

🔴♦ বাংলায় শাহী শাসনঃ--

💠শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ,গৌড়ের আলাউদ্দিন আলী শাহকে পরাজিত করেন এবং গৌড়ের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেন। তারপরে তিনি সোনারগাঁয়ের ইখতিয়ারউদ্দিনকে পরাজিত করেন। ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহ নিজেকে সুলতান ঘোষণা করেন।

🚩ইলিয়াস শাহ ইন্দো-তুর্কি ইলিয়াস শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা বাংলায় পনের দশক ধরে রাজত্ব করেছিল।

🚩ইলিয়াস শাহ পুন্ড্রে(উত্তরবঙ্গ) তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। 

🚩তিনি পূর্বের আসাম থেকে পশ্চিমে বারাণসী পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করেন।

🚩ইনি সাফল্যের সাথে নেপাল অভিযান করেন।

🚩১৩৫৩ সালে, ইলিয়াস শাহ শাহী বাংলা-দিল্লির সুলতানি যুদ্ধের সময় একডালা দুর্গ অবরোধে দিল্লি সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের কাছে পরাজিত হন। 

🚩তাঁর পুত্র এবং উত্তরসূরি সিকান্দার শাহ ১৩৯৫৯ সালে একডালা দুর্গের দ্বিতীয় অবরোধের সময় দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলককে পরাজিত করেন। 

🚩ফিরোজ শাহ তুঘলক সিকান্দার শাহকে ৮০,০০০ টাকা মূল্যের একটি সোনার মুকুট উপহার দেন। 

🚩আদিনা মসজিদটি সিকান্দার শাহেত রাজত্বকালে নির্মিত হয়।

🚩তৃতীয় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পারস্য কবি হাফিজের সাথে চিঠিপত্র ও কবিতা বিনিময় করতেন।

🚩সুলতান গিয়াসউদ্দিন, হাফিজকে সোনারগাঁয়ে বসতি করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

💠পঞ্চদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, ইলিয়াস শাহী শাসনকে শক্তিশালী হিন্দু ভূস্বামী রাজা গণেশ চ্যালেঞ্জ জানালেন, যিনি তাঁর পুত্র (ইসলাম গ্রহণকারী) জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহকে সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। জালালউদ্দিনের তুলনামূলকভাবে স্বল্পকালীন তবে তাৎপর্যপূর্ণ রাজত্ব ছিল, এই সময়ে তিনি আরাকান রাজাকে আরাকানের পুনরুদ্ধার অর্জনে সহায়তা করেছিলেন। 

চীনের রাষ্ট্রদূত মা হুয়ান তার ভ্রমণ বিবরণীতে লিখেছেন,পান্ডুয়া ছিল কাপড় এবং মদ রফতানির কেন্দ্র। পান্ডুয়ায় কমপক্ষে ছয় প্রকারের সূক্ষ্ম মসলিন এবং চার ধরনের মদ পাওয়া গেছে। পান্ডুয়াতে তুঁত গাছের ছাল থেকে উচ্চমানের কাগজ তৈরি হতো।

🚩বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ ১৪৫০ সালে পান্ডুয়া থেকে রাজধানী গৌড় স্থানান্তরিত করেন।

💠এরপর প্রতিষ্ঠিত হয় হুসেন শাহী বংশ।হাবশি সুলতান শামসউদ্দিন মোজাফফর শাহ নিহত হওয়ার পর আলাউদ্দিন হুসেন শাহ( শাসনকাল ১৪৯৩-১৫১৯) বাংলার সুলতান হন। ইতিপূর্বে তিনি মোজাফফর শাহের উজির ছিলেন। তার শাসনকালকে 'বাংলার স্বর্ণযুগ' বলে অভিহিত করা হয়।

💠আলাউদ্দিন হোসেন শাহঃ---

🚩এই বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন-- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।

🚩হোসেন শাহের মূল নাম ছিল সাইদ হোসেন।

🚩তাঁর আমলে ওয়ালি মুহাম্মদ গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।

🚩ইনি গৌড়ে(মালদা) বড় সোনা মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।পরবর্তীকাকে নাসিরুদ্দিন নসরত শাহ এটি শেষ করেন।

🚩১৪৯৪ সালে 'খেরুর মসজিদ' নির্মাণ করেন।

🚩 শেখের দীঘি নামক একটি জলাশয় খনন করেন।

🚩হোসেন শাহের অধীন চট্টগ্রামের গভর্নর পরাগল খানের পৃষ্ঠপোষকতায় কবীন্দ্র পরমেশ্বর তার পান্ডববিজয় রচনা করেন। এটি মহাভারতের একটি বাংলা সংস্করণ। 

🚩কবীন্দ্র পরমেশ্বর তার পান্ডববিজয় গ্রন্থে হোসেন শাহকে কলি যুগের কৃষ্ণের অবতার হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

🚩বিজয় গুপ্ত তার মনসামঙ্গল এসময় রচনা করেন। তিনি হোসেন শাহকে অর্জুনের সাথে তুলনা করেছেন।

🚩হুসেন শাহী রাজবংশ বহু হিন্দুকে সরকারে নিয়োগ দিয়েছিল এবং একধরনের বহু ধর্মীয় সহানুভুতি প্রচার করেছিল।

🚩গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ (শাসনকাল ১৫৩৩-১৫৩৮) ছিলেন হোসেন শাহি রাজবংশের সর্বশেষ সুলতান।

🔴ঘঘরার যুদ্ধে সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ বাবরের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়।

INDUS VALLEY CIVILIZATION (2500-1750BC)

🔴HARAPPA(Left Bank of Ravi,Montegomery)


✔2 rows of 6 granaries.


✔Single room Barrack


✔Bull-seal


✔Statue of Nataraj Shiva


✔Bullock Carts(এক্কা গাড়ি) 


✔Coffin Burial


✔Cemetery H & R 37


🔴 MOHENJODARO

(Right bank of Indus,Larkana)☛


✔Great Bath (Largest Brick Work)


✔Great Granary (Largest Building)


✔Bronze image of dancing girl


✔Image of steatite bearded man


✔Piece of woven cotton


✔Seal of pashupati


✔Prepared Garments


 ✔Skeletons on stairs of well (Mound of the dead)


✔Priest King


✔Assembly Hall


✔Cylindrical seals from Mesopotamia


🔴LOTHAL

(Sabarmati,Gujarat)☛


✔Artificial Dock (Manchester of Harappan civilization)


✔Art of double burial of man and woman(সতী প্রথার নিদর্শন)


✔Cotton cultivation


✔Rice Cultivation(also in Rangpur)


✔Atta Chaki


✔Sheep Seal


✔Copper Dog


✔Modern day Compass


✔Trapezium citadel


🔴CHANHUDARO(Bank of Indus)☛


✔Lancashire of India/Sheffield of India.


✔Only city without citadel


✔Bangles Factory


✔Beads Factory


✔Ink pot


🔴KALIBANGAN

(Rajasthan)☛


✔Granary & Wooden furrow


✔Fire alters


✔Wells in every house


✔Camels Bone


✔Pot burial


🔴Dholavira(Gujarat)☛


✔Divided into 3 parts(বাকী শহর বা প্রত্নকেন্দ্রগুলো দুটো ভাগে বিভক্ত ছিল)


✔Stadium.


✔Step well.


✔Guard room at entrance.


✔Gold Bangles and Gold ear stud.


🔴Ropar☛Double burial of Man and Dog.


🔴Amri☛ Rhinoceros.


🔴Surkotoda☛Bone of Horse.


🔴Rangpur☛Rice Husks.


🔴Banwali☛No drainage system,Palace like structures.


🚩SOME IMPORTANT FEATURES


🔷First mentioned by☛Charles Mason.


🔷Excavation begun by☛A. Cunningham.


🔷First Discovered Site☛Harappa

(1921,D.Sahani)


🔷The Civilization was named as Indus Valley Civilization by Sir John Marshal (1924).


🔷The maximum number of sites were explored by S.R. Rao, in Gujarat (190 sites).


🔷First Discovered Site after Independence☛Ropar.


🔷Chalcolithic period civilization.


🔷Script☛Pictograph,

Boustrophedon.


🔷Their weights and measures resemble those of Babylon.


🔷Their drainage system resembles that at Tell Asmar.


🔷LARGEST SITE☛Rakhigarhi


🔷LARGEST 'CITY'☛Mohenjodaro.


🔷SMALLEST SITE☛Allahdino.


🔷Mohenjodaro: UNESCO World Heritage Site☛1980.


🔷Destroyed by Fire☛Kotdiji.


🔷IVC was called "MELUHA" by the mesopotemians.


🔷Main Crop☛Wheat.

পরিবেশ সংক্রান্ত কিছু তথ্য🔥 Competative Exams এর ক্ষেত্রেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ

১।পশ্চিমবঙ্গের কোথায় উলফ্ৰাম খনিজ পদার্থ পাওয়া যায় – বাঁকুড়া জেলার ঝিলিমিলিতে।
২।পশ্চিমবঙ্গের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের। পরিমাণ কত – ১৭৫. সেন্টিমিটার।
৩। নীলগিরি পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের কী বলে – টোডা।
৪। গর্জনকোন শ্রেণির বৃক্ষ – পাতাঝরা বা, পর্ণমােচী বৃক্ষ।
৫।তিব্বতে যাওয়ার জন্য কোন গিরিপথটি সিকিম রাজ্যে আছে— নাথুলা।
৬। রাজস্থানের সমান্তরাল বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী লম্বা হ্রদকে কী বলা হয় – ধান্দ।
৭।তুঙ্গভদ্রা বাঁধ প্রকল্পটি কোন রাজ্যে আছে-কর্ণাটকে।
৮।ক্ৰান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য কোন রাজ্যে নেই – হিমাচল প্রদেশে।
৯। নােয়াভেলি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন রাজ্যে আছে – তামিলনাড়ু।
১০। পশ্চিমঘাট পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি – কোদাইকানাল।
১১। ভারতের কোথায় সােনা ও হিরের খনি আছে – পান্না ও কোলার।
১২। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কেন্দ্রটি কোন উপকূলে আছে – পূর্ব উপকূলে।
১৩। পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার একটি অঞ্চল দিয়ারানামে পরিচিত – মালদহ।
১৪। কলকাতা শহর কত দ্রাঘিমায় অবস্থিত।– ৮৮/, পূর্ব।
১৫। সুবর্ণসিরি ও ধানসিরি কোন নদীর উপনদী – ব্ৰহ্মপুত্ৰ।
১৬।আত্ৰেয়ী বা, আত্রাই নদীর তীরে আছে। কোন শহর – বালুরঘাট।
১৭। গােরগারু কোন পাহাড়ের শৃঙ্গ – অযােধ্যা।
১৮। হর মন্দির কে প্রতিষ্ঠা করেন—গুরু অর্জন।
১৯। জনসংখ্যার বিচারে পশ্চিমবঙ্গের স্থান কত – চতুর্থ।
২০। বিহারীনাথ পাহাড় আছে পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় – বাঁকুড়া।
২১। ল্যান্ড অফ হােয়াইট অর্কিড কাকে বলে – কার্শিয়াং।
২২।পাণ্ডুয়ার আদিনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় – মালদহ।
২৪। তাের্সা নদীর উৎপত্তি কোথায় – চুম্বি উপত্যকা।
২৫। পূর্বঘাট পর্বত কোন ধরণের পর্বত – ফয়জাত।
২৬। হুভু জলপ্রপাত কোন নদী থেকে সৃষ্ট – সুবর্ণরেখা।
২৭। সিয়াচেন হিমবাহ কোন পর্বতমালার অংশ – কারাকোরাম।
২৮। রাজস্থানের মরুস্থলীতে চলন্ত বালিয়াড়িকে কী বলে – থ্রিয়ান।
২৯। ভারত ও ভূটানের সীমান্ত শহরের নাম কী – ফুন্টশলিং।
৩০। নর্মদা নদী কোন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে – মহাকাল ।
৩১। সাতপুরা পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী – ধূপগড়।
৩২। কোলার হ্রদ কোন দুটি নদীর সংযােগ স্থলে আছে – কৃষা ও গােদাবরী।
৩৩। ভেম্বানাদ উপহ্রদ আছে কোন উপকূলে ।– মালাবার।
৩৪। গঙ্গার ডান তীরের উপনদী কোনটি— শোন।
৩৫। পাংগাং হ্রদ আছে কোথায় – লাদাখ ।
৩৬। জাতীয় বননীতি কত সালে গৃহীত হয় – ১৯৫২ সালে।

দৈনন্দিন বিজ্ঞান থেকে সেরা ২০০ টি MCQ (WBCS Exam)


1) আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ। (১০ তম WBCS )। 
2) উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ট্যাকমিটার। (২২ তম WBCS)। 
3) এনজিও প্লাষ্টি হচ্ছে হ্রৎপিন্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানো। (২১ তম WBCS)
4) কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য লৌহ (১০তম ডব্লিউ বিসিএস)।
5) কম্পিউটার আবিষ্কার করেন হাওয়ার্ড এইকিন (২০তম ডব্লিউ বিসিএস)।
6) কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গেছে (১৬তম ডব্লিউ বিসিএস)।
7) কার্বুরেটর থাকে যে ইঞ্জিনে পেট্রোল ইঞ্জিনে (২৭তম ডব্লিউ বিসিএস)।
8) ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে চুম্বক ক্ষেত্র হিসাবে (২৩তম ডব্লিউ বিসিএস)।
9) ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম ডলি (১৯তম ডব্লিউ বিসিএস)।
10) গ্যালিলিও’ হলো পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। (১৮ তম WBCS )
11) গ্লিসারিন দ্রবীভূত হয় না পানিতে (২৮তম ডব্লিউ বিসিএস)।
12) চাঁদে কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না, কারণ চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই (১৬তম ডব্লিউ বিসিএস)।
13) জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে কারণ এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে (১০তম ডব্লিউ বিসিএস)।
14) জোয়ার ভাটার তেজকটাল হয় অমাবস্যায় (১৮তম ডব্লিউ বিসিএস)।
15) টুথপেষ্টের প্রধান উপাদান সাবান ও পাউডার। (১৭ তম WBCS )। 
16) ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটারে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে উঠে সেটি সিলিকন চিপ (১৫তম ডব্লিউ বিসিএস)।
17) তামার সাথে যে উপাদান মেশালে পিতল হয় দস্তা (জিঙ্ক) (২৩তম ডব্লিউ বিসিএস)।
18) দিনরাত্রি সর্বত্র সমান নিরক্ষরেখায়। (২৮ তম WBCS)। 
19) পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ আলোর প্রতিসরণ। (১৩ তম WBCS)। 
20) পিসি কালচার’ বলতে বুঝায় মৎস্য চাষ (২৩তম ডব্লিউ বিসিএস)।
21) বাদুড় চলাফেরা করে সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে। (২৭ তম WBCS )। 
22) বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় প্রতিবছর ৫ জুন (৩০তম ডব্লিউ বিসিএস)।
23) বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট যে ধাতু দিয়ে তৈরি টাংষ্টেন। (২৯ তম WBCS)। 
24) ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ। (২২ তম WBCS)। 
25) মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান ভাইকিং (১৩তম  ডব্লিউ বিসিএস)।
26) মাছ অক্সিজেন নেয় পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে। (১০ তম WBCS )
27) মানুষের গায়ের রং নির্ভর করে যে উপাদানের উপর মেলানিন (২৭তম ডব্লিউ বিসিএস)।
28) মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য ১৮ ইঞ্চি (প্রায়) (২৮তম ডব্লিউ বিসিএস)।
29) যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্য গ্রহণ। (২৩ তম WBCS )। 
30) যে ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে ভিটামিন ‘K’ (২৬তম ডব্লিউ ডব্লিউ বিসিএস)।
31) যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে দর্পণ। (২৩ তম WBCS )। 
32) যে হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয় ইনসুলিন (২০তম ডব্লিউ বিসিএস)।
33) রঙ্গীন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর যে রশ্মি বের হয় গামা রশ্মি। (২৪ তম WBCS )
34) রেফ্রিজারেটরে কমপ্রেসরের কাজ ফ্রেয়নকে বাষ্পে পরিণত করা (২৮তম ডব্লিউ বিসিএস)।
35) শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র অডিও মিটার (২৬তম ডব্লিউ বিসিএস)।
36) সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন। (১০ তম WBCS)। 
37) সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় যে যন্ত্র দ্বারা ফ্যাদোমিটার। (২০ তম WBCS )। 
38) সালোক সংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয় সবুজ আলোতে (২৬তম বিসিএস)।
39) সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে যে ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয় অবতল (১৩তম বিসিএস)।
40) CNG -এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস (২৫তম বিসিএস)।
41) অ্যাসিড আবিস্কার হয় কবে ? ১৯৮১ সালে। 
42) অ্যাসিড নীল লিটমাস পেপারকে কী করে ? লাল করে। 
43) আকাশ নীল দেখায় কেন ? নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি। 
44) আকাশে মেঘ থাকলে গরম বেশি লাগে কেন ? মেঘ ভূ-পৃষ্ঠের তাপ বিকিরণে বাধা দেয় বলে। 
45) আঙ্গুরে কোন অ্যাসিড থাকে ? টারটারিক অ্যাসিড। 
46) আধুনিক কম্পিউটার কে আবিস্কার করেন ? চার্লস ব্যাবেজ। 
47) আপেলে কোন অ্যাসিড থাকে ? সালিক অ্যাসিড। 
48) আমলকিতে কোন অ্যাসিড থাকে ? অক্সালিক অ্যাসিড। 
49) আমিষ জাতীয় খাদ্য কোন জারক রস পরিপাক করে ? পেপসিন। 
50) আয়নার পিছনে কিসের প্রলেপ দেয়া হয়? সিলভারের
51) আয়োডিন প্রকৃতিতে কিভাবে থাকে ? কঠিন অবস্থায়। 
52) আলকাতরা কী থেকে তৈরী হয় ? কয়লা। 
53) আলোর গতির আবিস্কারক কে ? এ মাইকেলসন। 
54) ইউরোসিল কোথায় থাকে? -RNA তে।
55) ইনসুলিন কোথায় উত্পন্ন হয় ? অগ্নাশয়ে। 
56) ইন্টারফেরন কি? ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক গুলো প্রোটিনের সমষ্টি যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 
57) ইলেকট্রন কে আবিস্কার করেন ? জন থম্পসন। 
58) ইস্পাত তৈরিতে লোহার সাথে কী মিশাতে হয় ? কার্বন। 
59) ইস্পাতে কার্বনের শতকরা পরিমাণ কত ? ০.১৫ – ১.৫ %।
60) উচ্চ শ্রেনীর প্রটিন সমৃদ্ধ খাবার কোনটি ? মাংস। 
61) উড পেন্সিলের শীষ কী দিয়ে তৈরী হয় ? গ্রাফাইট। 
62) ‘উড স্পিরিট ‘ কী ? মিথাইল এলকোহল। 
63) উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী ? ট্যাকমিটার। 
64) উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক কে ? থিও ফ্রাসটাস। 
65) উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্ম কোনটি ? Cycas। 
66) উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ কোনটি ? ফুল। 
67) একোয়া রেজিয়া বা রাজ অম্ল কাকে বলে ? ৩:১ অনুপাতের নাইট্রিক ও হাইড্রক্লোরিক অ্যাসিড। 
68) এটম বোমা কে আবিস্কার করেন ? অটোহ্যান। 
69) এন্টামিবার সংখ্যাধিক্যে মানব দেহে কী সৃষ্টি হয় ? আমাশয়। 
70) এ্যাক্টোডার্মাল ডিসপ্লেসিয়া > ঘামগ্রন্থি ও দাঁতের অনুপস্থিতি। 
71) কচু খেলে গলা চুলকায় কিসের উপস্থিতির জন্য ? ক্যালসিয়াম অক্সালিক। 
72) কচু শাকে কি বেশি থাকে ? লৌহ। 
73) কঠিন পদার্থে তাপ কোন পদ্ধতিতে প্রবাহিত হয় ? পরিবহন পদ্ধতিতে। 
74) কফিতে কোন উপাদান থাকে ? ক্যাফেইন। 
75) কমলা লেবুতে কোন অ্যাসিড পাওয়া যায় ? এসকরবিক অ্যাসিড।
76) কম্পাঙ্ক বাড়লে শব্দের তীক্ষ্নতা ? বাড়ে। 
77) কম্পিউটার কে আবিস্কার করেন ? হাওয়ার্ড এইকিন। 
78) কয়টি পদ্ধতিতে তাপ পরিবহন হয় ? ৩ টি। 
79) কাঁদুনে গ্যাস এর রাসায়নিক নাম কী ? করপিক্রিন। 
80) কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল কী ? বালি। 
81) কান্সারকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রাথমিক পদক্ষেপ কোনটি? ইন্টারফেরণ প্রয়োগ। 
82) কুইনাইন পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে ? সিনকোনা
83) কে প্রথম রোবট আবিস্কার করেন ? উইলিয়াম গে ওয়ালটার। 
84) কে মেন্ডেলের ফ্যাক্টরের নাম দিয়েছিলেন জিন? বেটসন ( ১৯০৮ সালে।
85) কেচো কিসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় ? ত্বকের
86) কোন অধাতু বিত্দুত অপরিবাহী ? গ্রাফাইট।
87) কোন উদ্ভিদ আমিষ ডাল
88) কোন এনজাইমের দ্বারা কাটা ডিএনএ জোড়া দেওয়া হয়? লাইগেজ।
89) কোন গ্রুপের রক্তকে সর্বজন গ্রহীতা বলে ? এবি গ্রুপ কে। 
90) কোন গ্রুপের রক্তকে সর্বজনীন দাতা বলে ? ও গ্রুপ। 
91) কোন জন্তুর চারটি পাকস্থলী আসে ? গরুর। 
92) কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় ? শুশুক। 
93) কোন ধাতু সবচেয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ? তামা। 
94) কোন মস্তিস্ক যে কোনো সিদ্ধান্ত দ্রুত দিতে পারে ? পুরুষ। 
95) কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি ? কঠিন মাধ্যমে। 
96) কোন মৌলিক অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে ? ব্রোমিন। 
97) কোন মৌলিক ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে ? পারদ। 
98) কোন রংয়ের কাপে চা তারাতারি ঠান্ডা হয় ? কালোহ
99) কোন স্তন্যপায়ী প্রাণী ডিম পারে ? প্লাটিপাস। 
100) কোনো পদার্থের পারমানবিক সংখ্যা হলো ? পরমানুর প্রোটন সংখ্যা। 
101) কোষের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে কে ? নিউক্লিয়ার। 
102) ক্যালকুলাস কে আবিস্কার করেন ? নিউটন। 
103) ক্রোমোজোমে কোন কোন মৌলিক পদার্থ থাকে? ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম , লৌহ।
104) ক্রোমোজোমের প্রোটিন কয় প্রকার ? ২ প্রকার। ১. হিস্টোন ২. নন-হিস্টোন।
105) ক্লোন পদ্ধতিতে প্রথম ভেড়ার নাম কী ? ডলি। 
106) ক্লোনিং কত প্রকার? ৩প্রকার । জিন , সেল, জীব ক্লোনিং।
107) ক্লোরিন প্রকৃতিতে কিভাবে থাকে ? গ্যাসীয় অবস্থায়। 
108) ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পরা বন্ধ করে কোন ভিটামিন ? ভিটামিন-কে ]। 109) ক্ষার লাল লিটমাস পেপারকে কী করে ? নীল করে। 
110) খাদ্য শক্তি বেশি থাকে কোন মাছে ? শুটকি মাছে।
111) খাবার লবনের রাসায়নিক নাম কী ? সোডিয়াম ক্লোরাইড। 
112) গলগন্ড রোগ হয় কিসের অভাবে ? আয়োডিনের অভাবে। 
113) গ্যাভানাইজিং কী ? লোহার উপর দস্তার প্রলেপ
114) গ্রীষ্ম কালে কোন ধরনের কাপড় পরিধান করা ভালো ? সাদা। 
115) চাদে কোনো শব্দ করলে শোনা যায় না কেন ? বাতাস নেই বলে। 
116) চাদের বুকে অবতরণ করা চন্দ্রযানের নাম কী ? অ্যাপোলো -১১।
117) চাদের বুকে কে প্রথম অবতরণ করে ? নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অল্ড্রিন। 
118) চাদের বুকে প্রথম মানুষ অবতরণ করে ? ২১ জুলাই , ১৯৬৯ সালে। 
119) চায়ের পাতায় কোন উপাদান থাকে ? থিন। 
120) চুম্বুকের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশী কোথায় ? মেরু বিন্দুতে। 
121) জীনের রাসায়নিক গঠন কী ? ডি এন এ। 
122) জীব RNA কোষে কয় প্রকার? -৩প্রকার । rRNA, mRNA, tRNA।
123) জীব জগতের বৈচিত্রের নিয়ন্ত্রককে? -জীন। 
124) জীব দেহের শক্তির উত্স কী ? খাদ্য। 
125) জীব প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভাবিত নতুন প্রাণী কিংবা উদ্ভিদকে কি বলে ? ট্রান্সজেনিক প্রাণী।
126) জীব প্রযুক্তির উদাহরণ কোন গুলো ? অনুজীব বিজ্ঞান, টিস্যু কালচার , জিন প্রকৌশল। 
127) জীব বিজ্ঞানের জনক কে ? এরিস্টটল। 
128) জীব সংরক্ষণ ও পচন নিবারণের জন্য কী ব্যাবহৃত হয়? ফরমালিন। 
129) জীবাণু বিদ্যার জনক কে ? ভন লিউয়েন হুক। 
130) জীবের বংশ গতির একক কোনটি ? জিন। 
131) জুভেনাইল গ্লুকোমা অক্ষিগোলোকের কাঠিন্য
132) টুথপেস্টের প্রধান উপাদান কী ? সাবান ও পাউডার। 
133) টেলিভিশন কে আবিস্কার করেন ? জন এল বেয়ার্ড। 
134) টেস্টিং সল্ট এর রাসায়নিক নাম কী ? সোডিয়াম মনো গ্লুটামেট।
135) ট্রান্সজেনিক প্রানী উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রাণীগুলোর দুধ, রক্ত, মূত্র থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ আহোরণ করার প্রক্রিয়াকে কি বলে? মলিকুলার ফার্মিং। 
136) ঠোটের কোনা মুখের ঘা কিসের অভাবে হয় ? ভিটামিন -বি -২। 
137) ডায়বেটিস রোগ হয় কীসের অভাবে ? ইনসুলিন। 
138) ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পিতামাতা- সন্তান কত ভাগ মিল পাওয়া যায় ? ৯৯.৯%। 
139) ড্রাই আইস বা শুস্ক বরফ কাকে বলে ? কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড কে। 
140) তবকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় কে ? কেঁচো। 
141) তরঙ্গ দর্ঘ্য বাড়লে শব্দের তীক্ষ্নতা ? কমে। 
142) তরল পদার্থে তাপ কোন পদ্ধতিতে প্রবাহিত হয় ? পরিচলন পদ্ধতিতে। 
143) তামাকে বিষাক্ত কোন পদার্থ থাকে ? নিকোটিন
144) তামার সাথে টিন মিশালে কী উত্পন্ন হয় ? ব্রোঞ্জ। 
145) তামার সাথে দস্তা বা জিঙ্ক মেশালে কি উত্পন্ন হয় ? পিতল। 
146) তেঁতুলে কোন অ্যাসিড থাকে ? টারটারিক অ্যাসিড। 
147) থাইমিন কোথায় থাকে? ডিএনএ ।
148) দই কি ? দুধের জমাট বাঁধা ব্যাকটেরিয়া
149) দাড়ি গোফ গজায় কোন হরমোনের কারণে ? টেসটেস্টোরেন হরমোন
150) দিনের আলোতে কাজ করে চোখের কোন অংশ ? কনস।
151) দুধে কোন অ্যাসিড থাকে ?
ল্যাকটিক অ্যাসিড। 
152) দুধের ঘনত্ব কোন যন্ত্র দিয়ে মাপা হয় ? ল্যাকটোমিটার। 
153) দুধের প্রোটিনের নাম কী ?
কেজিন। 
154) দুধের শর্করাকে কী বলে ? ল্যাকটোজ। 
155) দৃশ্যমান বর্ণালীর ক্ষুদ্রতম তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কোন আলোর ? বেগুনী। 
156) দৃশ্যমান বর্ণালীর বৃহত্তম তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কোন আলোর ? লাল। 
157) নবায়নযোগ্য শক্তির উত্স কোথায় ? ফুয়েল সেল। 
158) নাড়ির স্পন্দন প্রভাবিত হয় কিসের মাধ্যমে ? ধমনীর মাধ্যমে। 
159) নারী পুরুষের মধ্যে কার তথ্য ধারণ ক্ষমতা বেশি ? নারীর। 
160) নাসা প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে ? ১৯৫৮ সালে। 
161) নাসার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত ? যুক্তরাষ্টের ফ্লোরিডায়। 
162) নিউট্রন আবিস্কার করেন কে ? চ্যোডইউক
163) নিউমোনিয়া রোগ হয় কোথায় ? ফুসফুসে। 
164) নিম্ন শ্রেনীর প্রটিন সমৃদ্ধ খাবার কোনটি ? ডাল। 
165) পরমানুর চার্জ নিরপেক্ষ কণিকা কোনটি ? নিউট্রন। 
166) পরমানুর নিউক্লিয়াসে কি থাকে ? প্রোটন ও নিউট্রন। 
167) পরমানুর নেগেটিভ চার্জযুক্ত কণিকা কোনটি ? ইলেকট্রন। 
168) পরমানুর পজেটিভ চার্জযুক্ত কণিকা কোনটি ? প্রোটন। 
169) পরমানুর সর্বাপেক্ষা হালকা কোনা কোনটি ? ইলেকট্রন। 
170) পারমানবিক বোমা কে আবিস্কার করেন ?
ওপেন হেমার। 
171) পাহাড়ে ওঠা কষ্টকর কেন ? অভিকর্ষজ বলের বিপরীদে কাজ করার জন্য। 
172) পুরুষ মানুষের জনন বৈশিস্টের জন্য দায়ী কোন ক্রোমোজম ? Y ক্রোমোজম।
173) পূর্ণাঙ্গ স্নায়ু কোষকে কী বলে ? নিউরন। 
174) পৃথিবীতে মোট মৌলিক পদার্থের সংখ্যা কত ? ১০৯ টি
175) পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে বস্তুর ওজন কেমন ? শূন্য।
176) পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি ? বামন চিকা। 
177) পৃথিবীর দ্রুততম পাখি কোনটি ? সুইফট বার্ড। 
178) পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী কে ?
ইউরি গ্যাগারিন (১৯৬১ সালে)। 
179) পেনিসিলিন কে আবিস্কার করেন ? আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। 
180) পেসমেকার কে আবিস্কার করেন ? জার্মানির সিমেন্স এলিয়া কোম্পানী , ১৯৫৮ সালে। 
181) প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মৌলের মধ্যে ধাতুর সংখ্যা কতটি ? ৭০ টি। 
182) প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মৌলের সংখ্যা কতটি ? ৯২ টি। 
183) প্রকৃতিতে রেডিও আইসোটোপের সংখ্যা কত ? ৫০ টি। 
184) প্রকৃতিতে সবচেয়ে কঠিন পদার্থ কোনটি ? হীরা। 
185) প্রতি মিনিটে হৃদপিন্ডের সাভাবিক স্পন্দন কত ? ৭২ বার। 
186) প্রথম কম্পিউটার প্রোগামের রচয়িতা কে ? লেডী এ্যাডো অগাস্ট। 
187) প্রাকৃতিক গ্যাস এর প্রধান উপাদান কী ? মিথেন
188) প্রাকৃতিক লাঙ্গল বলা হয় কাকে ? কেঁচো। 
189) প্রাণী কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয় কাকে ? মাইটোকন্ড্রিয়া। 
190) প্রাণীর প্রজনন কাজে প্রয়োজন কোন ভিটামিন ? ভিটামিন-ই। 
191) প্রেসার কুকারে রান্না তারাতারি হওয়ার কারণ কী ? উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি। 
192) প্রোটন কণিকা আবিস্কার করেন কে ? রাদারফোর্ড। 
193) প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের প্রধান কাজ কী ? দেহের ক্ষয় পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন। 
194) ফারেনহাইট স্কেল এ মানব দেহের সাভাবিক উষ্ণতা কত ? ৯৮.৪ ডিগ্রী। 
195) ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় কোন প্রাণী ? মাছ। 
196) বংশ গতিবিদ্যার জনক কে ? মেন্ডেল
197) বংশগতির ভৌত ভিত্তি কে? ক্রোমোজোম
198) বট গাছের আঠায় কোন এমজাইম থাকে? ফাইসিন । যা কৃমিরোগে ব্যবহৃত হয় ।
199) বাংঙের হৃতপিন্ডের প্রকোষ্ট কয়টি ? ৩ টি
200) বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্ম কাকে বলে ? রাজ কাঁকড়া।