উত্তর ও দক্ষিন ভারতের জলবিভাজিকা – বিন্ধ্য পর্বত ৷
অলকনন্দা দেবপ্রয়াগের কাছে গঙ্গায় পড়েছে ৷
গঙ্গার প্রধান উপনদী হল – যমুনা ৷
সিন্ধু নদীর উৎপত্তি হয়েছে – সিন্-খা-বাব হিমবাহ থেকে ৷
ব্রক্ষ্মপুত্র তিব্বতে – সাংপো নামে পরিচিত ৷
রাজস্থানের মরু অঞ্চলের প্রধান নদীর নাম – লুনি ৷
সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে – হুড্রু জলপ্রপাত অবস্থিত ৷
কাবেরি নদীর গতিপথে শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে ৷
লোকটাক হ্রদ মণিপুরে অবস্থিত ৷
আনাইসাগর হ্রদ থেকে লুনি নদীর সৃষ্টি হয়েছে ৷
সরাবতি নদীর গতিপথে গেরসোপ্পা বা যোগজলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
নর্মদা নদীর গতিপথে ধুয়াধার জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
ত্র্যাম্বক উচ্চভূমি থেকে গোদাবরি নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
যমুনা নদী এলাহাবাদের কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ছে ৷
ভারতের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাতের নাম গেরসাপ্পো যার অপরদুটি নাম যোগজলপ্রপাত বা গান্ধী জলপ্রপাত ৷
গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গোমুখ তুষারগুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
ভারতের দুটি লবণাক্ত জলের হ্রদের নাম সম্বর ও চিল্কা ৷
ভারতের একটি অর্ন্তবাহিনী নদীর নাম লুনি ৷
দক্ষিন ভারতের নদিগুলি শুধু বৃষ্টির জলে পুষ্ট ৷
ভারতের প্রধান নদীর নাম গঙ্গা ৷
যমুনোত্রী হিমবাহ থেকে যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
হরিদ্বারের কাছে গঙ্গা সমভুমিতে নেমে এসেছে ৷
উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রধান নদী – সিন্ধু ৷
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান নদী – ব্রক্ষ্মপুত্র ৷
কাশ্মির উপত্যকার মধ্য দিয়ে – ঝিলাম বা বিতস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে ৷
সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জেদারো সভ্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ৷
সবরমতি নদী – আরাবল্লি পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ৷
ভারতের একটি আদর্শ নদী – গঙ্গা ৷
সরাবতী একটি পশ্চিম বাহিনী নদী ৷
পাঞ্জাবের প্রধান নদী – শতদ্রু ৷
অরুণাচলপ্রদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রের নাম – ডিহং ৷
তাপ্তি নদীর প্রধান উপনদীর নাম – পূর্ণা ৷
ডাল ও উলার হ্রদ কাশ্মিরে অবস্থিত ৷
গঙ্গার দূষণ রোধের জন্য ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা অথোরিটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হয় ৷
মহানদীর উপর ভারতের দীর্ঘতম ( ২৬ কিমি) বাঁধ – হিরাকুদ অবস্থিত ৷
মেট্টুর বাঁধ কাবেরী নদীর উপর অবস্থিত ৷
নাগারজুন সাগর বাঁধ কৃষ্ণা নদীর উপর অবস্থিত ৷
জন্মু কাশ্মিরের লাদাখে বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ (১৪,২৫৬ ফুট) পংগং অবস্থিত ৷
ভারতের বৃহত্তম হ্রদের নাম – কাশ্মিরের উলার ৷
শতদ্রু নদীর উপর ভারতের উচ্চতম বাঁধ ভাকরা – নাঙ্গাল অবস্থিত ৷
গঙ্গা ব্রক্ষ্মপুত্রের ব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ৷
ব্রক্ষ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ ৷
গোদাবরি নদী কে দক্ষিন ভারতের গঙ্গা বলা হয় ৷
কাবেরি নদীকে দক্ষিন ভারতের পবিত্র নদী বলা হয় ৷
ভারতের পশ্চিম বাহিনী নদীগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য – নর্মদা,তাপ্তি,সবরমতি ও সরাবতি ৷
গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার উচ্চগতি৷ হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি ৷ রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মুখ পর্যন্ত গঙ্গার নিন্মগতি ৷
লুনি নদী কচ্ছের রণে পড়েছে ৷
নর্মদা ও তাপ্তি নদী গ্রস্থ উপত্যকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ৷
বাংলাদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রের নাম যমুনা ৷
ব্রক্ষ্মপুত্রের দুটি উপনদীর নাম হল – সুবর্ণসিরি ও লোহিত ৷
অলকনন্দা দেবপ্রয়াগের কাছে গঙ্গায় পড়েছে ৷
গঙ্গার প্রধান উপনদী হল – যমুনা ৷
সিন্ধু নদীর উৎপত্তি হয়েছে – সিন্-খা-বাব হিমবাহ থেকে ৷
ব্রক্ষ্মপুত্র তিব্বতে – সাংপো নামে পরিচিত ৷
রাজস্থানের মরু অঞ্চলের প্রধান নদীর নাম – লুনি ৷
সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে – হুড্রু জলপ্রপাত অবস্থিত ৷
কাবেরি নদীর গতিপথে শিবসমুদ্রম জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়েছে ৷
লোকটাক হ্রদ মণিপুরে অবস্থিত ৷
আনাইসাগর হ্রদ থেকে লুনি নদীর সৃষ্টি হয়েছে ৷
সরাবতি নদীর গতিপথে গেরসোপ্পা বা যোগজলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
নর্মদা নদীর গতিপথে ধুয়াধার জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়েছে ৷
ত্র্যাম্বক উচ্চভূমি থেকে গোদাবরি নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
যমুনা নদী এলাহাবাদের কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ছে ৷
ভারতের সর্ব্বোচ্চ জলপ্রপাতের নাম গেরসাপ্পো যার অপরদুটি নাম যোগজলপ্রপাত বা গান্ধী জলপ্রপাত ৷
গঙ্গোত্রী হিমালয়ের গোমুখ তুষারগুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
ভারতের দুটি লবণাক্ত জলের হ্রদের নাম সম্বর ও চিল্কা ৷
ভারতের একটি অর্ন্তবাহিনী নদীর নাম লুনি ৷
দক্ষিন ভারতের নদিগুলি শুধু বৃষ্টির জলে পুষ্ট ৷
ভারতের প্রধান নদীর নাম গঙ্গা ৷
যমুনোত্রী হিমবাহ থেকে যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়েছে ৷
হরিদ্বারের কাছে গঙ্গা সমভুমিতে নেমে এসেছে ৷
উত্তর-পশ্চিম ভারতের প্রধান নদী – সিন্ধু ৷
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রধান নদী – ব্রক্ষ্মপুত্র ৷
কাশ্মির উপত্যকার মধ্য দিয়ে – ঝিলাম বা বিতস্তা নদী প্রবাহিত হয়েছে ৷
সিন্ধু নদীর তীরে হরপ্পা ও মহেঞ্জেদারো সভ্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ৷
সবরমতি নদী – আরাবল্লি পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ৷
ভারতের একটি আদর্শ নদী – গঙ্গা ৷
সরাবতী একটি পশ্চিম বাহিনী নদী ৷
পাঞ্জাবের প্রধান নদী – শতদ্রু ৷
অরুণাচলপ্রদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রের নাম – ডিহং ৷
তাপ্তি নদীর প্রধান উপনদীর নাম – পূর্ণা ৷
ডাল ও উলার হ্রদ কাশ্মিরে অবস্থিত ৷
গঙ্গার দূষণ রোধের জন্য ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল গঙ্গা অথোরিটি নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত করা হয় ৷
মহানদীর উপর ভারতের দীর্ঘতম ( ২৬ কিমি) বাঁধ – হিরাকুদ অবস্থিত ৷
মেট্টুর বাঁধ কাবেরী নদীর উপর অবস্থিত ৷
নাগারজুন সাগর বাঁধ কৃষ্ণা নদীর উপর অবস্থিত ৷
জন্মু কাশ্মিরের লাদাখে বিশ্বের উচ্চতম হ্রদ (১৪,২৫৬ ফুট) পংগং অবস্থিত ৷
ভারতের বৃহত্তম হ্রদের নাম – কাশ্মিরের উলার ৷
শতদ্রু নদীর উপর ভারতের উচ্চতম বাঁধ ভাকরা – নাঙ্গাল অবস্থিত ৷
গঙ্গা ব্রক্ষ্মপুত্রের ব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ সমভূমির উদাহরণ ৷
ব্রক্ষ্মপুত্রের মাজুলি দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ ৷
গোদাবরি নদী কে দক্ষিন ভারতের গঙ্গা বলা হয় ৷
কাবেরি নদীকে দক্ষিন ভারতের পবিত্র নদী বলা হয় ৷
ভারতের পশ্চিম বাহিনী নদীগুলির মধ্য উল্লেখযোগ্য – নর্মদা,তাপ্তি,সবরমতি ও সরাবতি ৷
গোমুখ থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত গঙ্গার উচ্চগতি৷ হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি ৷ রাজমহল পাহাড় থেকে বঙ্গোপসাগরের মুখ পর্যন্ত গঙ্গার নিন্মগতি ৷
লুনি নদী কচ্ছের রণে পড়েছে ৷
নর্মদা ও তাপ্তি নদী গ্রস্থ উপত্যকার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ৷
বাংলাদেশে ব্রক্ষ্মপুত্রের নাম যমুনা ৷
ব্রক্ষ্মপুত্রের দুটি উপনদীর নাম হল – সুবর্ণসিরি ও লোহিত ৷


No comments:
Post a Comment