WEST BENGAL GEOGRAPHY REVISION NOTE FOR WBCS PRELIMS

West Bengal 
●জেলা-- ২৩
●প্রশাসনিক বিভাগ--৫
●উপবিভাগ-- ৬৯
●ব্লক-- ৩৪৫
●মিউনিসিপাল কর্পোরেশন--৭
●মিউনিসিপালিটি-- ১১৮
●গ্রাম পঞ্চায়েত-- ৩৩৫৪
●লোকসভায় আসন--৪২
●রাজ্যসভায় আসন--১৬
●বিধানসভায় আসন--২৯৪ 
●মোট জাতীয় উদ্যান-৬ 

●আয়তনের বিচারে ভারতে স্থান--১৩
●জনসংখ্যায় ভারতে স্থান --৪ 
●সর্বাধিক আন্তর্জাতিক সীমানা:বাংলাদেশ>ভুটান>নেপাল।
●বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা--৯ টি।
●সর্বাধিক আভ্যন্তরীণ সীমানা--ঝাড়খন্ড>বিহার>ওড়িশা।
●সীমান্তবর্তী রাজ্য--৫।
●কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে--৫ জেলার ওপর দিয়ে।নদীয়া,পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান,বাঁকুড়া,পুরুলিয়া।

●২৪ পরগণা জেলার ভাঙ্গন--১৯৯০।
●দিনাজপুর জেলার ভাঙ্গন--১৯৯২।
●মেদিনীপুর জেলার ভাঙ্গন--২০০২।
●জলপাইগুড়ি ভেঙ্গে আলিপুর দুয়ার --২০১৪।
●দার্জিলিং ভেঙ্গে কালিম্পং -- ২০১৭।
●পশ্চিম মেদিনীপুর ভেঙ্গে ঝাড়গ্রাম-- ২০১৭।
●বর্ধমানের ভাঙ্গন --২০১৭।
●২৩তম জেলা-- পশ্চিম বর্ধমান।

●সর্বোচ্চ শৃঙ্গ -- সান্দাকফু।
●দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ -- ফালুট।
●উচ্চতম রেলস্টেশন-- ঘুম।
●শুষ্কতম স্থান--ময়ূরেশ্বর।
●তিস্তার পশ্চিমে/বাঁদিকে-- তরাই(দার্জিলিং)
●তিস্তার পূর্বে/ডানদিকে-- ডুয়ার্স(আলিপুরদুয়ার,জলপাইগুড়ি)

●মহানন্দার পূর্বদিক---প্রাচীন পলিমাটি নির্মিত(বরেন্দ্রভূমি,মালদা)।ভাঙ্গর।

●মহানন্দার পশ্চিমদিক-- নবীন পলিমাটি নির্মিত।খাদার।

●মালদার উত্তরপশ্চিমে(কালিন্দীর উত্তরে)-- তাল।অনুর্বর।

●মালদার দক্ষিণপশ্চিমে--দিয়ারা।উর্বর।খাদার।

●রাঢ় অঞ্চল-- মোট ৭টি জেলা।বীরভূম,দুই বর্ধমান,বাঁকুড়া,পশ্চিম মেদিনীপুর,মুর্শিদাবাদ ও হুগলির পশ্চিমাংশ।

●গঙ্গোনী অঞ্চল -- "The Grand Canyon of Bengal".শিলাবতী নদীর ক্ষয়কার্যে সৃষ্ট। ল্যাটেরাইট মাটি।

●বরাভূম-- পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।পুরুলিয়ার দক্ষিণাংশ,ঝাড়গ্রাম।

●মৃত ব-দ্বীপ-- নদীয়া,মুর্শিদাবাদ।
●সক্রিয় ব-দ্বীপ--উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা।

●পুরুলিয়ার পাহাড়--গোর্গাবুরু,অযোধ্যা,পঞ্চকোট,বাঘমুন্ডি,গুরুমা,জয়চন্ডী,বেরো,খালাইচন্ডী।

●পশ্চিমবঙ্গে গঙ্গার দৈর্ঘ্য--৫২০ কিমি।
●উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম নদী-- তিস্তা।
●উত্তরবঙ্গের দীর্ঘতম নদী-- মহানন্দা।
●বালাসন+মেচি=মহানন্দা।
●বিদ্যাধরী+রায়মঙ্গল=ইছামতী।
●বরাকর+কোনার=দামোদর।
●দ্বারকেশ্বর+শিলাবতী(ঘাটাল)=রূপনারায়ণ।
●কংসাবতী+কেলেঘাই=হলদি।
●পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের সীমানায়--সংকোশ।
●বর্ধমান ও বীরভূমের মাঝে--অজয়।

●তিস্তার উপনদী--বড় রঙ্গিত,ছোটো রঙ্গিত,পুনর্ভবা,আত্রেয়ী। 
●তোর্সার উপনদী-- কালজানি।
●মহানন্দার উপনদী--মেচি,বালাসন,কালিন্দী,টাঙ্গন।
●অজয়ের উপনদী-- কুনুর। 
●রূপনারায়ণের উপনদী-- মুন্ডেশ্বরী।
●কংসাবতীর উপনদী--কুমারী।
●সুবর্ণরেখার উপনদী-- খরকাই।
●দ্বারকেশ্বরের উপনদী-- শিলাবতী।

●জলপাইগুড়ি-- তিস্তা ও করলার তীরে।
●শিলিগুড়ি--মহানন্দা ও বালাসনের তীরে।
●আলিপুরদুয়ার--কালজানির তীরে।
●কোচবিহার--তোর্সার তীরে।
●ইসলামপুর,মালদা--মহানন্দার তীরে।
●বালুরঘাট--আত্রেয়ীর তীরে।
●লাভপুর--বক্রেশ্বর ও কোপাইয়ের তীরে।
●বোলপুর--কোপাইয়ের তীরে।
●মেদিনীপুর--কংসাবতীর তীরে।
●বাঁকুড়া--গন্ধেশ্বরীর তীরে।
●তমলুক,ঘাটাল--রূপনারায়ণের তীরে।
●তারাপীঠ,রামপুরহাট--দ্বারকার তীরে।
●রাণাঘাট--চূর্ণীর তীরে।
●কৃষ্ণনগর--জলঙ্গীর তীরে।
●কোলকাতা,ত্রিবেণী,চন্দননগর--হুগলির তীরে।
●বনগাঁ,বসিরহাট--ইছামতীর তীরে।

●পাগলাঝোড়া জলপ্রপাত--মহানন্দা নদী।
●করোনেশন সেতু-- তিস্তা নদী।
●মুকুটমণিপুর--কংসাবতী নদী।
●তিলপাড়া বাঁধ -- ময়ূরাক্ষী নদী।

●সর্বাধিক প্রকার স্বাভাবিক উদ্ভিদ--ক্রান্তীয় শুষ্ক পর্ণমোচী।

●যে প্রকারের ধান সবচেয়ে বেশি হয়--আমন।
●আমন ধান সবচেয়ে বেশি হয়--পূর্ব বর্ধমান।
●মোট ধান উৎপাদনে প্রথম-- পশ্চিম মেদিনীপুর। 
●গম উৎপাদনে প্রথম--মুর্শিদাবাদ।
●ডাল উৎপাদনে প্রথম--নদীয়া।
●তৈলবীজ উৎপাদনে প্রথম -- নদীয়া।
●সরিষা উৎপাদনে প্রথম-- মুর্শিদাবাদ।
●আখ উৎপাদনে প্রথম-- পশ্চিম মেদিনীপুর। 
●ভুট্টা উৎপাদনে প্রথম--দার্জিলিং।
●আলু উৎপাদনে প্রথম -- হুগলি।
●পাট উৎপাদনে প্রথম-- মুর্শিদাবাদ।
●তামাক উৎপাদনে প্রথম-- কোচবিহার।

● চা চাষ ভালো হয়-- পডসল মৃত্তিকায়।

●প্রথম G.I ট্যাগ প্রাপ্ত-- দার্জিলিং চা।
●তুলাইপাঞ্জী চাল-- উত্তর দিনাজপুর।
●বালুচরি শাড়ি--বিষ্ণুপুর।
●ধনেখালি শাড়ি--শান্তিপুর,ফুলিয়া।
●মিহিদানা,সীতাভোগ--বর্ধমান।
●ছৌ মুখোশ-- পুরুলিয়া।

●কয়লা উৎপাদনে প্রথম-- পশ্চিম বর্ধমান।
●এপাটাইট,কায়ানাইট,ফেল্ডস্পার,অভ্র উৎপাদনে প্রথম-- পুরুলিয়া।
●ম্যাঙ্গানীজ উৎপাদনে প্রথম- পশ্চিম মেদিনীপুর। 
●ডলোমাইট উৎপাদনে প্রথম--জলপাইগুড়ি।
●লৌহ আকরিক পাওয়া যায় -- পুরুলিয়ার মানবাজার,ঝালদা।

●প্রাচীনতম জলবিদ্যুৎকেন্দ্র-- সিদ্রাপং(দার্জিলিং)।
●বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র--মেজিয়া(বাঁকুড়া)।
●রাম্মাম তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র---দার্জিলিং।
●রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র -- পুরুলিয়া।
●সাঁওতালডিহি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র -- পুরুলিয়া।
●বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র -- বীরভূম।
●বৃহত্তম সৌরগাছ-- দুর্গাপুর।

●বৃহত্তম আর্সেনিক পরিশ্রুতকরণকেন্দ্র-- ফারাক্কা।

●সর্বাধিক জনসংখ্যা-- উত্তর ২৪ পরগণা।
●সর্বনিম্ন জনসংখ্যা-- দক্ষিণ দিনাজপুর।
●সর্বাধিক জনঘনত্ব-- কোলকাতা।
●সর্বনিম্ন জনঘনত্ব-- পুরুলিয়া।
●সর্বাধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি -- উত্তর দিনাজপুর।
●সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বৃদ্ধি -- কোলকাতা।
●সর্বাধিক শিক্ষার হার-- পূর্ব মেদিনীপুর। 
●সর্বনিম্ন শিক্ষার হার-- উত্তর দিনাজপুর।
●সর্বোচ্চ লিঙ্গানুপাত-- দার্জিলিং।
●সর্বনিম্ন লিঙ্গানুপাত -- কোলকাতা।

●ভাদু,টুসু গান--পুরুলিয়া(সূচনা),বাঁকুড়া,মেদিনীপুর,বর্ধমান,বীরভূম।
●বোলান গান-- বর্ধমান।
●গম্ভীরা পালা-- মালদা।
●ভাওয়াইয়া গান-- কোচবিহার।
●ছৌ নাচ--পুরুলিয়া।
●ঝাঁপান উৎসব--বিষ্ণুপুর।

●টেরাকোটা-- বাঁকুড়ার পাঁচমুড়া।

●দার্জিলিং হিমালয় রেলওয়ে হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা পায়-- ১৯৯৯

●পশ্চিমবঙ্গ ভূমিসংস্কার আইন -- ১৯৫৫।

●কোন জেলা,ভারতের স্বাধীনতার সময়ে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অংশ ছিল না--- কোচবিহার।

● পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত-- ফ্রেজারগঞ্জ।

● সিঙ্গলীলার অন্তিমতম বিন্দু-- রিম্বিক।

● Downstream industries-- হলদিয়া।

● দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসে-- ১০ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে।

●রুজভেল্ট নগর বলা হত-- কল্যাণীকে।

● প্রথম বেসরকারি বিমানপোত-- অন্ডালে।

● Export Processing Zones (EPZs)-- Falta.

● West Bengal Special Economic Zone-- 7*

●The first greenfield SEZs --- Manikanchan gem and jewellery-park.

*https://pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1703791

History: ঐতিহাসিক সমন্বয়,যা পরীক্ষার হলে কনফিউজড করে দেয়!

ঐতিহাসিক সমন্বয়,যা পরীক্ষার হলে কনফিউজড

🔴 Iso-Date---- 

🗨16 oct,1905-- বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব কার্যকর(লর্ড কার্জন)

🗨16 Aug,1946-- কোলকাতার দাঙ্গা(Direct Action by Jinnah,Lord Wavell)

🗨9 Jan,1915-- দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গান্ধীর ভারতে প্রত্যাবর্তন।

🗨9 Aug,1925-- কাকোরি ট্রেন লুঠ (Hindustan Republican Association: Ramprasad Bismil,পরে ১৯২৮ সালে ভগত সিং'এর প্রস্তাবে এই সংগঠনের নতুন নাম হয় Hindustan Socialist Republican Association)

🗨9 March,1929-- জিন্নার চৌদ্দ দফা দাবি।(To counter the Nehru report,1928)

🗨9 August,1942-- গান্ধীসহ কংগ্রেসি নেতাদের গ্রেপ্তার এবং ভারতছাড়ো আন্দোলনের সূচনা।

🗨9 Dec,1946-- গণপরিষদের(Constituent Assembly) প্রথম মিটিং।

🗨5 Feb,1922-- চৌরীচৌরা ঘটনা এবং অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার। 

🗨5 March,1931-- গান্ধী-আরউইন চুক্তি,দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে কংগ্রেসের যোগদান এবং আইন অমান্য আন্দোলনের সাময়িক বিরতি।

🔴1906 এর গেরো---- 

ক) বঙ্গভঙ্গের সমকালে কংগ্রেসের কোলকাতা অধিবেশনে প্রথম 'স্বরাজ' কথাটির উত্থাপন।দাদাভাই নৌরজী।

খ)দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সভালে গান্ধী পরিচালিত প্রথম সত্যাগ্রহ।

গ)প্যারিসে 'ভিকাজি কামা' কর্তৃক Free India Society প্রতিষ্ঠা।

ঘ)মুসলিম লিগের জন্ম,ঢাকায়(হেডকোয়ার্টার কিন্তু ছিল Lucknow) 

ঙ) আগা খান প্রমুখের নেতৃত্বে লর্ড মিন্টোর কাছে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণের দাবিদাওয়া নিয়ে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়(Simla Deputation)

চ) National Concil of Education Satish Chandra Mukherjee 

🔴স্বায়ত্ত্বশাসন/Dominion status-এর দাবি তোলে যারা ----

ক) তিলক,হোমরুল আন্দোলন(১৯১৬)

খ)স্বরাজ্য দল(১৯২২),চিত্তরঞ্জন দাস এবং মতিলাল নেহেরু

গ)নেহেরু রিপোর্ট(১৯২৮)

ঘ)ইংরেজরা স্বায়ত্ত্বশাসন দিতে চায়,আগস্ট অফার(১৯৪০) এবং ক্রিপস মিশন(১৯৪২)-এ। কংগ্রেস বলে,ভাগ শালা! 

🔴ভারতের পতাকা উত্তোলিত হয়---

ক)১৯০৬,৭ আগস্ট-- আধুনিক ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকা,কোলকাতা।ওপরে লাল,তারপর হলুদ,নিচে সবুজ।মাঝে 'বন্দে মাতরম' লেখা।

খ)১৯০৭-- বার্লিন কমিটি,প্যারিস,ভিকাজি কামা।ভারতের বাইরে প্রথম।(Berlin committee flag was first raised by Bhikaiji Cama)

গ)১৯১৭-- হোমরুল আন্দোলনের সময়।

ঘ)৩১ ডিসেম্বর,১৯২৯-- রাভী নদীর তীরে জওহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে পূর্ণ স্বরাজের দাবিতে প্রথম তেরঙ্গা উত্তোলন।

ঙ)১৯ এপ্রিল,১৯৪৪-- আজাদ হিন্দ ফৌজের দ্বারা ভারতের মাটিতে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন।ময়রাং,মণিপুর,কর্ণেল সওকাত আলি মালিক।

🔴অনুশীলন সমিতি এবং যুগান্তর দল---কী ফারাক?

---বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনুশীলন তত্ত্বের আদর্শকে সামনে রেখে  প্রথমে কোলকাতা(১৯০২) এবং কিছুকাল পরে ঢাকায়(১৯০৫) অনুশীলন সমিতির দুটো শাখা গড়ে ওঠে।

অনুশীলন সমিতির কোলকাতা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন--ব্যারিস্টার প্রমথনাথ মিত্র এবং সম্পাদক-- সতীশচন্দ্র বসু।

কোলকাতার পাশাপাশি, বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঢাকায় অনুশীলন সমিতি গড়ে তোলেন---পুলিনবিহারী দাস(১৯০৫)।

১৯০৬ সালের মার্চ মাসে কোলকাতা শাখার সদস্যবৃন্দ একটি সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা প্রকাশনার কাজ শুরু করে;যার নাম ছিল "যুগান্তর"; সম্পাদক---ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।কিন্তু বৈপ্লবিক কর্মকান্ডের ধরণ নিয়ে পুলিনবিহারীদের সাথে ক্রমশ অরবিন্দ ঘোষ,বারীন ঘোষ প্রমুখের বিরোধ বাধে।ধীরে ধীরে কোলকাতার অনুশীলন সমিতির শাখার ব্রিটিশ সরকারের কাছে 'যুগান্তর' দল নামেই পরিচিতি পায়।এই দলের বিখ্যাত সদস্যরা--- অরবিন্দ ঘোষ(আলিপুর বোমা মামলা),বারীন ঘোষ(আলিপুর বোমা মামলা),ক্ষুদিরাম বসু(মুজাফফরপুর ষড়যন্ত্র মামলা),প্রফুল্ল চাকী,বাঘা যতীন(বুড়িবালামের যুদ্ধ ১৯১৫,হাওড়া-শিবপুর মামলা ১৯১০),মাস্টারদা সূর্য সেন(চট্টোগ্রাম অস্ত্রাগার লুঠ,১৯৩০) প্রমুখ।

🔴 সংক্ষেপে----

🔆 কোলকাতা অনুশীলন সমিতি--১৯০২(ব্যারিস্টার পি মিত্র এবং সতীশ বসু।)

🔆অনুশীলন সমিতির মুখপত্র-- যুগান্তর। সম্পাদক---ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।

🔆অনুশীলন সমিতির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন---সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

🔆কোলকাতায় প্রথম শ্রমজীবী নৈশ বিদ্যালয় গড়ে তোলে-----অনুশীলন সমিতির কোলকাতা শাখা(যুগান্তর দল)।

🔆ঢাকা অনুশীলন সমিতি---পুলিনবিহারী দাস(১৯০৫)।

🔆যুগান্তর দল---১৯০৬,বারীন ঘোষ(মুখ্য ব্যক্তি)।

🔆মুজাফফরপুর হত্যাকান্ড---১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল।(কোলকাতা অনুশীলন সমিতি/যুগান্তর দল)

🔆ক্ষুদিরামের ফাঁসি--১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট।

🔆আলিপুর/মানিকতলা বোমা মামলা----১৯০৮।মানিকতলা।বারীন ঘোষ,হেমচন্দ্র কানুনগো।

🔆আলিপুর বোমা মামলায় রাজসাক্ষী হয়----নরেন গোঁসাই।

🔆নরেন গোঁসাইকে হত্যা করেন---কানাইলাল।বিচারে ১৯০৯ সালে তাঁর ফাঁসি হয়।

🟪 হাওড়া-শিবপুর ষড়যন্ত্র মামলা(১৯১০)-- কানাইলাল জেলের ভিতরে কীভাবে বন্দুক দিয়ে নরেন গোঁসাইকে হত্যা করল,তার তদন্তে লাগানো হয় ইনস্পেক্টর সামসুল আলমকে।যুগান্তর দলের বিপ্লবীরা তাকেও হত্যা করেন।

🔆অনুশীলন ও যুগান্তর নিষিদ্ধ হয়----১৯০৯।

🔆বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলা---১৯১৩,পুলিন বিহারী দাস গ্রেপ্তার হন।

🔆বুড়িবালামের যুদ্ধ ---১৯১৫।বাঘা যতীন,যুগান্তর দলের সদস্য।

🔆চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন---১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল।

🔳 পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণ--১৯৩২,প্রীতিলতা ওয়েদ্দেদার।

🔴  Important Incident in Simla(summer capital,1864)---

a)Simla Conference on Education(1901) by Lord Curzon---->establishment of Raleigh commission(1902) and then Indian university act(1904)

b) Simla Deputation(1906) during Lord Minto ---> ১৯০৬ সালের ১লা অক্টোবর ৩৫ সদস্যের মুসলিম প্রতিনিধিদল আগা খানের নেতৃত্বে সিমলায় ভাইসরয়ের সাথে দেখা করে।এরই সাফল্যক্রমে ১৯০৯ সালের ভারত শাসন আইনে মুসলিমদের পৃথক নির্বাচনের উদ্দেশ্যে তাদের জন্য আসন সংরক্ষণ করা হয়(Separate Electorate)।

c) Simla Conference(1945) during Lord Wavell/Wavell Plan--> ভারতীদের হাতে স্বায়ত্তশাসন তুলে দেওয়া হবে এবং আইনসভায় বর্ণহিন্দু,দলিত,মুসলিম,শিখ প্রমুখ শ্রেণির জন্য পৃথক পৃথক আসন সংরক্ষিত থাকবে।..এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় কারণ কংগ্রেস চেয়েছিল পূর্ণ স্বরাজ(স্বায়ত্তশাসন নয়),আর জিন্না মুসলিম প্রতিনিধিত্ব বলতে চেয়েছিল শুধুমাত্র মুসলিম লিগের প্রতিনিধি(কংগ্রেসের ভিতর থেকে কেউ মুসলিম সমাজের প্রতিনিধি হবে তা নয়)।

🔴 Hunter Commission:----

a)Hunter commission(1882):---Educational reforms by Lord Ripon. Primary education+vernacular language

b)Hunter Commission(1920)--On massacre at Jallianwala Bagh on 13th April, 1919 during Lord Chelmsford.

RECENTLY CYCLONE 2020


 🔴 Cyclone Amphan
💠 Odisha & West Bengal

🔴 Cyclone Bulbul
💠 Bangladesh & West Bengal

🟢 Cyclone Kyaar
💠 South Gujarat, Saurashtra

🔴 Cyclone Tino 
💠 Fiji

🟢 Cyclone Sarai
💠 Fiji

🔴 Typhoon Kammuri 
💠 Philippines

🟢 Typhoon Phanfone
💠 Philippines

🔴 Typhoon Faxai 
💠 Japan

🟢 Typhoon hagibis
💠 Japan

WEST BENGAL GEOGRAPHY REVISION NOTE FOR WBCS PRELIMS

●জেলা-- ২৩

●প্রশাসনিক বিভাগ--৫

●উপবিভাগ-- ৬৯

●ব্লক-- ৩৪২

●মিউনিসিপাল কর্পোরেশন--৭

●মিউনিসিপালিটি-- ১১৮

●গ্রাম পঞ্চায়েত-- ৩৩৫৪

●লোকসভায় আসন--৪২

●রাজ্যসভায় আসন--১৬

●বিধানসভায় আসন--২৯৪ 

●মোট জাতীয় উদ্যান-৬ 


●আয়তনের বিচারে ভারতে স্থান--১৩

●জনসংখ্যায় ভারতে স্থান --৪ 

●সর্বাধিক আন্তর্জাতিক সীমানা:বাংলাদেশ>ভুটান>নেপাল।

●বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা--৯ টি।

●সর্বাধিক আভ্যন্তরীণ সীমানা--ঝাড়খন্ড>বিহার>ওড়িশা।

●সীমান্তবর্তী রাজ্য--৫।

●কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে--৫ জেলার ওপর দিয়ে।নদীয়া,পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান,বাঁকুড়া,পুরুলিয়া।


●২৪ পরগণা জেলার ভাঙ্গন--১৯৯০।

●দিনাজপুর জেলার ভাঙ্গন--১৯৯২।

●মেদিনীপুর জেলার ভাঙ্গন--২০০২।

●জলপাইগুড়ি ভেঙ্গে আলিপুর দুয়ার --২০১৪।

●দার্জিলিং ভেঙ্গে কালিম্পং -- ২০১৭।

●পশ্চিম মেদিনীপুর ভেঙ্গে ঝাড়গ্রাম-- ২০১৭।

●বর্ধমানের ভাঙ্গন --২০১৭।

●২৩তম জেলা-- পশ্চিম বর্ধমান।


●সর্বোচ্চ শৃঙ্গ -- সান্দাকফু।

●দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ -- ফালুট।

●উচ্চতম রেলস্টেশন-- ঘুম।

●শুষ্কতম স্থান--ময়ূরেশ্বর।

●তিস্তার পশ্চিমে/বাঁদিকে-- তরাই(দার্জিলিং)

●তিস্তার পূর্বে/ডানদিকে-- ডুয়ার্স(আলিপুরদুয়ার,জলপাইগুড়ি)


●মহানন্দার পূর্বদিক---প্রাচীন পলিমাটি নির্মিত(বরেন্দ্রভূমি,মালদা)।ভাঙ্গর।


●মহানন্দার পশ্চিমদিক-- নবীন পলিমাটি নির্মিত।খাদার।


●মালদার উত্তরপশ্চিমে(কালিন্দীর উত্তরে)-- তাল।অনুর্বর।


●মালদার দক্ষিণপশ্চিমে--দিয়ারা।উর্বর।খাদার।


●রাঢ় অঞ্চল-- মোট ৭টি জেলা।বীরভূম,দুই বর্ধমান,বাঁকুড়া,পশ্চিম মেদিনীপুর,মুর্শিদাবাদ ও হুগলির পশ্চিমাংশ।


●গঙ্গোনী অঞ্চল -- "The Grand Canyon of Bengal".শিলাবতী নদীর ক্ষয়কার্যে সৃষ্ট। ল্যাটেরাইট মাটি।


●বরাভূম-- পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।পুরুলিয়ার দক্ষিণাংশ,ঝাড়গ্রাম।


●মৃত ব-দ্বীপ-- নদীয়া,মুর্শিদাবাদ।

●সক্রিয় ব-দ্বীপ--উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা।


●পুরুলিয়ার পাহাড়--গোর্গাবুরু,অযোধ্যা,পঞ্চকোট,বাঘমুন্ডি,গুরুমা,জয়চন্ডী,বেরো,খালাইচন্ডী।


●পশ্চিমবঙ্গে গঙ্গার দৈর্ঘ্য--৫২০ কিমি।

●উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম নদী-- তিস্তা।

●উত্তরবঙ্গের দীর্ঘতম নদী-- মহানন্দা।

●বালাসন+মেচি=মহানন্দা।

●বিদ্যাধরী+রায়মঙ্গল=ইছামতী।

●বরাকর+কোনার=দামোদর।

●দ্বারকেশ্বর+শিলাবতী(ঘাটাল)=রূপনারায়ণ।

●কংসাবতী+কেলেঘাই=হলদি।

●পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের সীমানায়--সংকোশ।

●বর্ধমান ও বীরভূমের মাঝে--অজয়।


●তিস্তার উপনদী--বড় রঙ্গিত,ছোটো রঙ্গিত,পুনর্ভবা,আত্রেয়ী। 

●তোর্সার উপনদী-- কালজানি।

●মহানন্দার উপনদী--মেচি,বালাসন,কালিন্দী,টাঙ্গন।

●অজয়ের উপনদী-- কুনুর। 

●রূপনারায়ণের উপনদী-- মুন্ডেশ্বরী।

●কংসাবতীর উপনদী--কুমারী।

●সুবর্ণরেখার উপনদী-- খরকাই।

●দ্বারকেশ্বরের উপনদী-- শিলাবতী।


●জলপাইগুড়ি-- তিস্তা ও করলার তীরে।

●শিলিগুড়ি--মহানন্দা ও বালাসনের তীরে।

●আলিপুরদুয়ার--কালজানির তীরে।

●কোচবিহার--তোর্সার তীরে।

●ইসলামপুর,মালদা--মহানন্দার তীরে।

●বালুরঘাট--আত্রেয়ীর তীরে।

●লাভপুর--বক্রেশ্বর ও কোপাইয়ের তীরে।

●বোলপুর--কোপাইয়ের তীরে।

●মেদিনীপুর--কংসাবতীর তীরে।

●বাঁকুড়া--গন্ধেশ্বরীর তীরে।

●তমলুক,ঘাটাল--রূপনারায়ণের তীরে।

●তারাপীঠ,রামপুরহাট--দ্বারকার তীরে।

●রাণাঘাট--চূর্ণীর তীরে।

●কৃষ্ণনগর--জলঙ্গীর তীরে।

●কোলকাতা,ত্রিবেণী,চন্দননগর--হুগলির তীরে।

●বনগাঁ,বসিরহাট--ইছামতীর তীরে।


●পাগলাঝোড়া জলপ্রপাত--মহানন্দা নদী।

●করোনেশন সেতু-- তিস্তা নদী।

●মুকুটমণিপুর--কংসাবতী নদী।

●তিলপাড়া বাঁধ -- ময়ূরাক্ষী নদী।


●সর্বাধিক প্রকার স্বাভাবিক উদ্ভিদ--ক্রান্তীয় শুষ্ক পর্ণমোচী।


●যে প্রকারের ধান সবচেয়ে বেশি হয়--আমন।

●আমন ধান সবচেয়ে বেশি হয়--পূর্ব বর্ধমান।

●মোট ধান উৎপাদনে প্রথম-- পশ্চিম মেদিনীপুর। 

●গম উৎপাদনে প্রথম--মুর্শিদাবাদ।

●ডাল উৎপাদনে প্রথম--নদীয়া।

●তৈলবীজ উৎপাদনে প্রথম -- নদীয়া।

●সরিষা উৎপাদনে প্রথম-- মুর্শিদাবাদ।

●আখ উৎপাদনে প্রথম-- পশ্চিম মেদিনীপুর। 

●ভুট্টা উৎপাদনে প্রথম--দার্জিলিং।

●আলু উৎপাদনে প্রথম -- হুগলি।

●পাট উৎপাদনে প্রথম-- মুর্শিদাবাদ।

●তামাক উৎপাদনে প্রথম-- কোচবিহার।


● চা চাষ ভালো হয়-- পডসল মৃত্তিকায়।


●প্রথম G.I ট্যাগ প্রাপ্ত-- দার্জিলিং চা।

●তুলাইপাঞ্জী চাল-- উত্তর দিনাজপুর।

●বালুচরি শাড়ি--বিষ্ণুপুর।

●ধনেখালি শাড়ি--শান্তিপুর,ফুলিয়া।

●মিহিদানা,সীতাভোগ--বর্ধমান।

●ছৌ মুখোশ-- পুরুলিয়া।


●কয়লা উৎপাদনে প্রথম-- পশ্চিম বর্ধমান।

●এপাটাইট,কায়ানাইট,ফেল্ডস্পার,অভ্র উৎপাদনে প্রথম-- পুরুলিয়া।

●ম্যাঙ্গানীজ উৎপাদনে প্রথম- পশ্চিম মেদিনীপুর। 

●ডলোমাইট উৎপাদনে প্রথম--জলপাইগুড়ি।

●লৌহ আকরিক পাওয়া যায় -- পুরুলিয়ার মানবাজার,ঝালদা।


●প্রাচীনতম জলবিদ্যুৎকেন্দ্র-- সিদ্রাপং(দার্জিলিং)।

●বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র--মেজিয়া(বাঁকুড়া)।

●রাম্মাম তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র---দার্জিলিং।

●রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র -- পুরুলিয়া।

●সাঁওতালডিহি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র -- পুরুলিয়া।

●বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র -- বীরভূম।

●বৃহত্তম সৌরগাছ-- দুর্গাপুর।


●বৃহত্তম আর্সেনিক পরিশ্রুতকরণকেন্দ্র-- ফারাক্কা।


●সর্বাধিক জনসংখ্যা-- উত্তর ২৪ পরগণা।

●সর্বনিম্ন জনসংখ্যা-- দক্ষিণ দিনাজপুর।

●সর্বাধিক জনঘনত্ব-- কোলকাতা।

●সর্বনিম্ন জনঘনত্ব-- পুরুলিয়া।

●সর্বাধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি -- উত্তর দিনাজপুর।

●সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বৃদ্ধি -- কোলকাতা।

●সর্বাধিক শিক্ষার হার-- পূর্ব মেদিনীপুর। 

●সর্বনিম্ন শিক্ষার হার-- উত্তর দিনাজপুর।

●সর্বোচ্চ লিঙ্গানুপাত-- দার্জিলিং।

●সর্বনিম্ন লিঙ্গানুপাত -- কোলকাতা।


●ভাদু,টুসু গান--পুরুলিয়া(সূচনা),বাঁকুড়া,মেদিনীপুর,বর্ধমান,বীরভূম।

●বোলান গান-- বর্ধমান।

●গম্ভীরা পালা-- মালদা।

●ভাওয়াইয়া গান-- কোচবিহার।

●ছৌ নাচ--পুরুলিয়া।

●ঝাঁপান উৎসব--বিষ্ণুপুর।


●টেরাকোটা-- বাঁকুড়ার পাঁচমুড়া।


●দার্জিলিং হিমালয় রেলওয়ে হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা পায়-- ১৯৯৯


●পশ্চিমবঙ্গ ভূমিসংস্কার আইন -- ১৯৫৫।


●কোন জেলা,ভারতের স্বাধীনতার সময়ে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অংশ ছিল না--- কোচবিহার।


● পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত-- ফ্রেজারগঞ্জ।


● সিঙ্গলীলার অন্তিমতম বিন্দু-- রিম্বিক।


● Downstream industries-- হলদিয়া।


● দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসে-- ১০ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে।


●রুজভেল্ট নগর বলা হত-- কল্যাণীকে।


● প্রথম বেসরকারি বিমানপোত-- অন্ডালে।


● Export Processing Zones (EPZs)-- Falta.


● West Bengal Special Economic Zone-- 7*


●The first greenfield SEZs --- Manikanchan gem and jewellery-park.

Fund Related Economics

 ●সরকার আর নাগরিকদের মধ্যে এবং নাগরিকদের জন্য(বিভিন্ন পরিষেবা দিতে) বিভিন্ন রকম যে আর্থিক লেনদেন হয়,তার হিসেব রাখার জন্য তিন ধরনের ফান্ড রয়েছে--


 1.Consolidated Fund, এখানে সরকারই মালিক,মানে ফান্ডের টাকা সে কীভাবে খরচ কবে,কোথায় খরচ করবে সেটা তার ব্যাক্তিগত বিষয়;তবে যাচ্ছেতাই করতে পারে না।টাকা বের করার জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন জরুরি,বাজেট সেশনের সময় Appropriation Bill এনে ভোটাভুটি করিয়ে সেই বিল পাশ করাতে হবে।


2.Public Account, এটা মূলত পাব্লিকের টাকা,সরকারকে রাখতে দিয়েছে,তাই সরকার এখানে ম্যানেজার/ব্যাঙ্কার।সরকার ওই টাকা ফেরত দিতে বাধ্য।যেমন,বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদী সঞ্চয়ী প্রকল্পগুলোয়(কিষাণ বিকাশ পত্র,প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি) মানুষ টাকা জমায়,স্কিম ম্যাচিওর হলে ফেরত পেয়ে যায়। 


3.Contigency Fund,জরুরি অবস্থার জন্য কখনো টাকার দরকার হলে এই ফান্ডের টাকা ব্যবহার হয়। তবে এর আয়তন সামান্য,মাত্র ৫০০ কোটি।শেষ হলে পার্লামেন্টের অনুমোদন সাপেক্ষে আবার Consolidated Fund থেকে বের করতে হয়।


● ৯০% সরকারি স্কিমের খরচপত্র Consolidated Fund থেকেই মেটানো হয়।কৃষি,পশুপালন,শিল্প,

শিক্ষা,স্বাস্থ্য,রাস্তাঘাট,স্কুল,কলেজ,খনিজ উত্তোজন,শক্তি উৎপাদন,সেচপ্রকল্পের খরচ,ডাকব্যবস্থার খরচ,ডিফেন্সের খরচ,

পিএসসির খরচ ইত্যাদি সমস্তকিছু। 


● বিশেষ কিছু সেক্টরের নির্দিষ্ট কিছু স্কিম/পরিকল্পনার খরচ চালানোর জন্য গড়ে তোলা 'Reserve Fund'এর লেনদেনের হিসেব রাখা হয় Public Account এর মধ্যে।এই ফান্ডগুলোর অর্থ নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য 'রিজার্ভড'।যেমন,Central Road & Infrastructure Fund. এই ফান্ডে টাকা ঢোকে পেট্রোল বা ডিজেলের এক্সাইজ ডিউটির(Excise Duty) ওপর চাপানো সেস(Cess) থেকে;খরচ হয় মূলত সড়ক ও জলপরিবহন এবং কিছুটা রেলপরিবহন,

স্কুল-কলেজ তৈরি ইত্যাদিতে।সাধারণত Road Transport এর বার্ষিক যা 'নিয়মিত' খরচ থাকে,যেমন রাস্তায় গর্ত হয়ে গেছে,নতুন পিচ ঢালতে হবে,ফুটপাথ তৈরি করতে হবে ইত্যাদির টাকা Consolidated Fund থেকে দেওয়াই হয়,কিন্তু এর বাইরেও সরকার যদি কোনো Ambitious Policy নিয়ে থাকে,যেমন ঠিক করল যে আগামী ৫ বছরে ৫০০০ মাইল নতুন Expressway তৈরি করবে,তার জন্য অতিরিক্ত ট্যাক্স/সেস চাপিয়ে এই ধরনের Reserve Fund তৈরি করে থাকে।সরকারেরও হিসেব রাখতে সুবিধা হয়।


● Public Account এ আরেকটা Head/Entry দেখতে পাওয়া যায় -- Suspense. ধরো,কোনো কোম্পানিতে এক একাউন্ট্যান্ট আছে,year ending'এ জমা খরচের হিসেব মেলাতে গিয়ে সে দেখল,হিসেব মিলছে না,দেখা যাচ্ছে Cash Debit হয়েছে ১০ লাখ;Credit হয়েছে ৯ লাখ ৯০ হাজার।ফলে এই ১০ হাজার টাকা কে দেবে? ছোটো কোম্পানি হলে তাকেই সেটা মেটাতে হবে।..ত এই যে গরমিলের অঙ্কটা,সেইটাই হিসেব করা হয় Suspense Account এ।সরকারেরও তরফেও কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়,সেখানেও তাই Suspense Account থাকে(Public Account এর মধ্যে)। 


●Cess এর টাকা কোন একাউন্টে জমা পড়ে? --কিছু বলে না দিলে Consolidated Fund এ।কিন্তু যদি পার্লামেন্ট বলে দেয় অমুক সেস'এর টাকা Public Account এর তমুক Reserve Fund এ জমা হবে,সেক্ষেত্রে সেটাই হবে।


●Public Account থেকে টাকা বের করতে কী পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগে না?-- সাধারণত লাগে না।তবে Reserve Fund-এর জন্য লাগে।


●Consolidated Fund থেকে টাকা বের করতে পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগবেই?-প্রায় লাগবেই।তবে নির্দিষ্ট কিছু Items(Charged Items)এর ক্ষেত্রে কোনো বিল/ভোটাভুটি লাগে না।যেমন,-- 


President’s Emoluments and allowances and other expenditure relating to his office.


Chairman and the Deputy Chairman of the Rajya Sabha and the Speaker and the.


 Deputy Speaker of the Lok Sabha – Salaries and allowances.


Salaries, allowances and pensions of the Supreme Court’s judges.


Pensions of the High Courts’ judges.


Comptroller and Auditor General of India’s salaries, allowances and pensions.


Salaries, allowances and pension of the chairman and members of the Un


ion Public Service Commission etc.

বাঙলার ইতিহাস : আদি মধ্যযুগ

 💠 শশাঙ্ক:---

১.বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা।First independent ruler of bengal.

২.৬০৬ খ্রিষ্টাব্দে ইনি গৌড়ের সিংহাসনে বসেন।

৩.সিংহাসনে আরোহণ করে তিনি 'বঙ্গাব্দ' চালু করেন।

৪.রাজধানী--কর্ণসুবর্ণ(মুর্শিদাবাদ জেলায়)।

🔺কর্ণসুবর্ণের লিপিতাত্ত্বিক প্রমাণ মেলে কামরূপের শাসক ভাস্করবর্মণ-এর নিধনপুর দানপত্র থেকে। এ দানপত্রটি কর্ণসুবর্ণের বিজয় ছাউনি (জয়-সরদ-অনবর্থ-স্কন্ধবারাত কর্ণসুবর্ণ-বাসকাত) থেকে প্রদান করা হয়েছিল। এতে জানা যায় যে, স্বল্প সময়ের জন্য গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ কামরূপের শাসক ভাস্করবর্মণের হাতে চলে গিয়েছিল।বৌদ্ধ মঠ ছাড়াও এখানে পঞ্চাশটি দেব মন্দিরও ছিল।

৫.ইনি ছিলেন শৈব ধর্মাবলম্বী।

৬.কথিত আছে,ইনি নাকি বোধিবৃক্ষ ধ্বংস করেছিলেন।

৭.কনৌজের হর্ষবর্ধনের সাথে শশাঙ্কের বিবাদ বাধে।কিন্তু তাঁর জীবিত অবস্থায় হর্ষবর্ধন বাংলা দখল করতে পারেন নি।

৮.প্রজাদের জলকষ্ট দূর করার জন্য শরশঙ্ক নামে একটি দীঘি খনন করেন।

৯.উপাধি-- শ্রীমহাসামন্ত,নরেন্দ্রাদিত্য।

১০.হর্ষের সভাকবি বাণভট্টের হর্ষচরিতে,শশাঙ্ককে 'গৌড়াধম' ও 'গৌড়ভুজঙ্গ' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

১১.তাঁর মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন রাজা মানব।কিন্তু ইনি শশাঙ্কের মত পরাক্রমশালী ছিলেন না।ফলত হর্ষবর্ধন এবং কামরূপরাজ(আসাম) ভাস্করবর্মন একে পরাজিত করেন।এরপরই বাংলার সিংহাসনে শূন্যতার সৃষ্টি হয়।শুরু হয় মাৎস্যন্যায়ের কাল(৬৩৭-৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ)

💠💠পাল বংশ :--

🔘শশাঙ্কের পতনের পর প্রায় একশ বছরেরও বেশি সময় ধরে যোগ্য রাজার অভাবে বাংলায় অরাজক পরিস্থিতির তৈরি হয়। স্থানীয় জমিদার,জোতদারদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। মৎস্য জগতে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে খায়, তেমনি বাংলায় এই সময় শক্তিমানেরা দুর্বলদের উপর নিরন্তর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল। দেশের জনসাধারণের দুর্দশার অন্ত ছিল না। ব্যবসাবাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। রৌপ্যমুদ্রার আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সর্বোপরি বাংলার প্রধান বন্দর তাম্রলিপ্ত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল। এমত অবস্থায় ৭৫০ সালে বাংলার 'প্রকৃতিপুঞ্জ' গোপালকে বাংলার সিংহাসনে বসিয়ে নতুন যুগের সূচনা করে।ইনিই পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।

🔘সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিত,ঘনারাম চক্রবর্তীর ধর্মমঙ্গল ইত্যাদিতে এদের ক্ষত্রিয় বলা হয়েছে।রামচরিত স্রষ্টার মতে এরা ছিলেন সূর্য বংশীয় রাজপুত।

🔘অন্যদিকে 'মঞ্জুশ্রী মূলকল্প'(তান্ত্রিক বৌদ্ধ শাস্ত্র) অনুসারে এরা ছিলেন শূদ্র।

🔘আইন-ই-আকবরী বলছে,পাল রাজারা জাতিতে 'কায়স্থ'।

🔘রামচরিতে বরেন্দ্রভূমি অর্থাৎ উত্তরবঙ্গকে পাল রাজাদের পিতৃভূমি ("জনকভূ") বলা হয়েছে।

♦প্রতিষ্ঠাতা--গোপাল

♦শ্রেষ্ঠ রাজা--দেবপাল

♦শেষ রাজা--গোবিন্দপাল

♦রাজাদের ধর্ম-- মূলত বৌদ্ধ। 

♦রাজধানী--

গৌড়(গোপাল),
সোমপুর(ধর্মপাল),
মুঙ্গের(দেবপাল),
রামাবতী(রামপাল)।

🚩 গোপাল(৭৫০-৭৭০)
 :--

১.পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।

২.ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রশাসন থেকে তাঁর সম্পর্কে জানা যায়। 

৩.গোপালের বাবার নাম ছিল ব্যাপত ও দাদুর নাম দয়িতবিষ্ণু(খালিমপুর)।

৪.ইনি মগধে ওদন্তপুরী বিহার নির্মাণ করেন।

৫.উপাধি-- পরমসৌগত।

🚩ধর্মপাল(৭৭০-৮১০):--

১.এঁর আমলেই কনৌজের সিংহাসনের দখল নিয়ে প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূটদের সাথে 'ত্রি-শক্তি'র লড়াইয়ের সূচনা হয়।

২.প্রতিহার রাজ বৎস্যরাজের সাথে ধর্মপালের যুদ্ধ বাধে।যুদ্ধে ধর্মপাল হেরে যান।কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে রাষ্ট্রকূটরাজ ধ্রুব,কনৌজ আক্রমণ করে বৎস্যরাজকে হারিয়ে দেন।বৎস্যরাজ রাজস্থানে পালিয়ে যান।কিছুদিন পর ধ্রুবও কনৌজের সিংহাসনে নিজের এক ডেপুটিকে নিয়োগ করে নিজ রাজ্যে ফিরে যান।এই সুযোগে ধর্মপাল আবার কনৌজ আক্রমণ করেন।

৩.নারায়ণ পালের 'ভাগলপুর তাম্রশাসন' থেকে জানা যায়, রাষ্ট্রকূট রাজ ধ্রুব ফিরে গেলে ধর্মপাল কনৌজের ডেপুটি গভর্নর ইন্দ্রায়ুধকে পরাজিত করে নিজের এক মহাসামন্ত চক্রায়ুধকে কনৌজের সিংহাসনে বসান।

৪.ইনি সোমপুরে নতুন রাজধানী নির্মাণ করেন।

৫.বিক্রমশীল বিশ্ববিদ্যালয়, সোমপুরি মহাবিহার নির্মাণ করেন।

৬.নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার করেন।

৭.উপাধি---

বিক্রমশীল,
উত্তরাপথস্বামী,
বঙ্গপতি,
গৌড়েশ্বর। 

🚩দেবপাল(৮১০-৮৫০)
:--

১.পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন দেবপাল।

২.ইনি মুঙ্গেরে রাজধানী স্থানান্তরণ করেন।

৩.সেনাপ্রধান---জয়পাল।

৪.মন্ত্রী--দর্ভপানি।

৫.বিষ্ণুভদ্রের 'বাদল স্তম্ভলেখ' থেকে জানা যায়, তাঁর রাজ্য হিমালয় থেকে বিন্ধ্য পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

৬.ইনি কম্বোজ আক্রমণ করেন।সেই দেশে ভালো যুদ্ধ ঘোড়া পাওয়া যেত।

৭.বহির্ভারতের সাথে ভালো যোগ ছিল।সুমাত্রার শৈলেন্দ্র রাজা বলপুত্রদেবকে নালন্দায় একটি বিহার নির্মাণের খরচ চালানোর জন্য ৫ টি গ্রাম দান করেন।

৮.দেবপাল রাষ্ট্রকূটরাজ অমোঘবর্ষকে পরাজিত করেন।

৯.আরব পর্যটক সুলেইমান তাঁর সময়ে বাংলায় আসেন।

১০.উপাধি:--

পরমেশ্বর,
মহারাজাধিরাজ।

🔘দেবপালের মৃত্যুর পর যোগ্য উত্তরাধিকারীর অভাবে পাল বংশের পতনের সূচনা হয়।এই সময়ের কয়েকজন দুর্বল রাজা ছিলেন শূরপাল,বিগ্রহপাল,
ন্যায়পাল প্রমুখ।প্রতিহার,রাষ্ট্রকূট ও চান্দেল রাজারা বারংবার আক্রমণ করেন।অবশেষে হরিকলের(এখনকার দক্ষিণ পূর্ব বাংলা) কান্তিদেব,দ্বিতীয় বিগ্রহপালকে সিংহাসনচ্যুত করে 'চন্দ্র বংশ'এর প্রতিষ্ঠা করেন।এদের রাজধানী ছিল--- বিক্রমপুর।

🚩💠প্রথম মহীপালের আমলে আবার পাল বংশের উত্থান ঘটে। ইনি চন্দ্র রাজাদের পরাজিত করেন।

🚩প্রথম মহীপালের সময়েই রাজেন্দ্র চোল বাংলা এবং সুলতান মামুদ ভারত আক্রমণ করেন।

🚩💠দ্বিতীয় মহীপালের আমলে দিব্যকের নেতৃত্বে বাংলায় 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' ঘটে।

🚩💠রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করেন।

🚩পাল বংশের শেষ শক্তিশালী রাজা ছিলেন-- রামপাল।

🚩রামপাল গঙ্গায় ডুবে আত্মহত্যা করেন।

💠অন্যান্য তথ্য :--

১.পাল যুগেই আদি বাংলার প্রথম লেখ্য নিদর্শন---চর্যাপদ পাওয়া যায়। 

২.পাল রাজাদের প্রধান যুদ্ধ হাতিয়ার ছিল---হাতি🐘।

৩.পালরাজারা ছিলেন মহাযান বৌদ্ধ মতের অনুসারী  

৪.এই সময়ের দুজন বিখ্যাত ভাস্কর ছিলেন-- ধীমান ও বীতপাল।

৫.নারায়ণ পাল একটি শিব মন্দির নির্মাণ করেন।

৬.এই সময়ে টেরাকোটার বিকাশ ঘটে।

৭.সমগ্র সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশ বা 'ভুক্তি'তে বিভক্ত ছিল।

♦সাম্রাজ্য--ভুক্তি--বিশ্য---মন্ডল---গ্রাম।

৮.কয়েক রকম কর---

ভাগ--কৃষিজ শস্যের ওপর।১/৬ অংশ।

ভোগ-- ফুল ও সব্জি।

কর-- ইনকাম ট্যাক্স।

হিরণ্য-- শস্যের বদলে নগদ মুদ্রায় কর দিলে।

৯.উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ---

🔘চক্রপাণি দত্তের 'চিকিৎসা সংগ্রহ','আয়ুর্বেদদীপিকা','ভানুমতি'।

🔘জীমূতবাহনের 'দায়ভাগ'(স্বামীর সম্পত্তিতে বিধবার অধিকার)।

🔘সুরেশ্বরের 'শব্দপ্রদীপ'।

💠সেন বংশ.(১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ):--

🔘প্রতিষ্ঠাতা---সামন্ত সেন(চালুক্য রাজাদের সামন্ত)।

🔘প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা--বিজয়সেন।

🔘রাজধানী--

বিজয়পুরী(বিজয়সেন)

নবদ্বীপ(বল্লাল সেন)

লখনৌতি(লক্ষণ সেন)

রাজাদের ধর্ম-- হিন্দু।

🚩বিজয়সেন---

১.সেন বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।

২.ইনি পালরাজা মদন পালকে পরাজিত করেন।

৩.ব্যারাকপুর তাম্রলেখ থেকে এঁর সম্পর্কে জানা যায়। 

৪.সভাকবি---শ্রীহর্ষ।রচনা করেন 'বিজয় প্রশস্তি'।

৫.উপাধি-- অরিরাজ বৃষভশঙ্কর।

🚩বল্লাল সেন--

১.চালুক্য রাজকন্যা রামদেবীকে বিয়ে করেন।

২.শেষ পাল রাজা গোবিন্দ পালকে পরাজিত করেন।

৩.কৌলিন্য প্রথার সূচনা করেন।

৪.নিজে 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামে দুটি বই লেখেন।

৫.আনন্দভট্ট লেখেন 'বল্লালচরিত'।

৬.উপাধি--'অরিরাজ নিঃশঙ্ক শঙ্কর'।

🚩লক্ষণ সেন----

১.শেষ শক্তিশালী রাজা।

২.মিনহাজ-ই-সিরাজের 'তাবাকত-ই-নাসিরি'তে তাঁর সম্পর্কে লেখা আছে।

৩.গাড়োয়াল রাজ জয়চন্দ্রকে পরাজিত করেন এবং তাকে মগধ থেকে বিতাড়িত করে কাশী ও প্রয়াগে 'বিজয়স্তম্ভ' স্থাপন করেন।

৪.ইনি ছিলেন বৈষ্ণব। 

৫.তাঁর সময়ে বকতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ(১২০২) ও নালন্দা ধ্বংস করেন।

৬.উপাধি---'গৌড়েশ্বর',
'অরিরাজ মদন শঙ্কর'।

💠🔴বখতিয়ার খলজীর বাংলা আক্রমণের মধ্যে দিয়ে বাংলায় মুসলমান শাসনের পত্তন ঘটে।এরপর  
দিল্লি সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুতমিস ১২২৫ সালে বাংলাকে দিল্লির একটি প্রদেশ হিসাবে ঘোষণা করেন। 

🚩দিল্লি সুলতানরা নিযুক্ত গভর্নরদের মাধ্যমে বাংলায় শাসন করার চেষ্টা করে। কিন্তু দিল্লির সাথে বাংলার দূরত্বের বেশি হওয়ায় যথেষ্ট পরিমাণের সাফল্য পাওয়া যায়নি। উচ্চাভিলাষী গভর্নররা বিদ্রোহ করেছিলেন এবং দিল্লি সুলতান দ্বারা সামরিকভাবে দমন না করা অবধি স্বাধীন শাসক হিসাবে শাসন করতেন। 

💠🔘১৩২৫ সালে, দিল্লি সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক প্রদেশটিকে তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে পুনর্গঠিত করেছিলেন, সোনারগাঁও কেন্দ্রিক পূর্ব বাংলার শাসন, গৌড় উত্তরবঙ্গ 
শাসন
করে,এবং সাতগাঁও দক্ষিণবঙ্গ শাসন করে। এমনকি এই ব্যবস্থাও ভেঙে যায়।

🔴♦ বাংলায় শাহী শাসনঃ--

💠শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ,গৌড়ের আলাউদ্দিন আলী শাহকে পরাজিত করেন এবং গৌড়ের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেন। তারপরে তিনি সোনারগাঁয়ের ইখতিয়ারউদ্দিনকে পরাজিত করেন। ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহ নিজেকে সুলতান ঘোষণা করেন।

🚩ইলিয়াস শাহ ইন্দো-তুর্কি ইলিয়াস শাহী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা বাংলায় পনের দশক ধরে রাজত্ব করেছিল।

🚩ইলিয়াস শাহ পুন্ড্রে(উত্তরবঙ্গ) তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। 

🚩তিনি পূর্বের আসাম থেকে পশ্চিমে বারাণসী পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করেন।

🚩ইনি সাফল্যের সাথে নেপাল অভিযান করেন।

🚩১৩৫৩ সালে, ইলিয়াস শাহ শাহী বাংলা-দিল্লির সুলতানি যুদ্ধের সময় একডালা দুর্গ অবরোধে দিল্লি সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলকের কাছে পরাজিত হন। 

🚩তাঁর পুত্র এবং উত্তরসূরি সিকান্দার শাহ ১৩৯৫৯ সালে একডালা দুর্গের দ্বিতীয় অবরোধের সময় দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলককে পরাজিত করেন। 

🚩ফিরোজ শাহ তুঘলক সিকান্দার শাহকে ৮০,০০০ টাকা মূল্যের একটি সোনার মুকুট উপহার দেন। 

🚩আদিনা মসজিদটি সিকান্দার শাহেত রাজত্বকালে নির্মিত হয়।

🚩তৃতীয় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পারস্য কবি হাফিজের সাথে চিঠিপত্র ও কবিতা বিনিময় করতেন।

🚩সুলতান গিয়াসউদ্দিন, হাফিজকে সোনারগাঁয়ে বসতি করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

💠পঞ্চদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, ইলিয়াস শাহী শাসনকে শক্তিশালী হিন্দু ভূস্বামী রাজা গণেশ চ্যালেঞ্জ জানালেন, যিনি তাঁর পুত্র (ইসলাম গ্রহণকারী) জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহকে সিংহাসনে বসিয়েছিলেন। জালালউদ্দিনের তুলনামূলকভাবে স্বল্পকালীন তবে তাৎপর্যপূর্ণ রাজত্ব ছিল, এই সময়ে তিনি আরাকান রাজাকে আরাকানের পুনরুদ্ধার অর্জনে সহায়তা করেছিলেন। 

চীনের রাষ্ট্রদূত মা হুয়ান তার ভ্রমণ বিবরণীতে লিখেছেন,পান্ডুয়া ছিল কাপড় এবং মদ রফতানির কেন্দ্র। পান্ডুয়ায় কমপক্ষে ছয় প্রকারের সূক্ষ্ম মসলিন এবং চার ধরনের মদ পাওয়া গেছে। পান্ডুয়াতে তুঁত গাছের ছাল থেকে উচ্চমানের কাগজ তৈরি হতো।

🚩বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ ১৪৫০ সালে পান্ডুয়া থেকে রাজধানী গৌড় স্থানান্তরিত করেন।

💠এরপর প্রতিষ্ঠিত হয় হুসেন শাহী বংশ।হাবশি সুলতান শামসউদ্দিন মোজাফফর শাহ নিহত হওয়ার পর আলাউদ্দিন হুসেন শাহ( শাসনকাল ১৪৯৩-১৫১৯) বাংলার সুলতান হন। ইতিপূর্বে তিনি মোজাফফর শাহের উজির ছিলেন। তার শাসনকালকে 'বাংলার স্বর্ণযুগ' বলে অভিহিত করা হয়।

💠আলাউদ্দিন হোসেন শাহঃ---

🚩এই বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন-- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।

🚩হোসেন শাহের মূল নাম ছিল সাইদ হোসেন।

🚩তাঁর আমলে ওয়ালি মুহাম্মদ গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।

🚩ইনি গৌড়ে(মালদা) বড় সোনা মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।পরবর্তীকাকে নাসিরুদ্দিন নসরত শাহ এটি শেষ করেন।

🚩১৪৯৪ সালে 'খেরুর মসজিদ' নির্মাণ করেন।

🚩 শেখের দীঘি নামক একটি জলাশয় খনন করেন।

🚩হোসেন শাহের অধীন চট্টগ্রামের গভর্নর পরাগল খানের পৃষ্ঠপোষকতায় কবীন্দ্র পরমেশ্বর তার পান্ডববিজয় রচনা করেন। এটি মহাভারতের একটি বাংলা সংস্করণ। 

🚩কবীন্দ্র পরমেশ্বর তার পান্ডববিজয় গ্রন্থে হোসেন শাহকে কলি যুগের কৃষ্ণের অবতার হিসেবে প্রশংসা করেছেন।

🚩বিজয় গুপ্ত তার মনসামঙ্গল এসময় রচনা করেন। তিনি হোসেন শাহকে অর্জুনের সাথে তুলনা করেছেন।

🚩হুসেন শাহী রাজবংশ বহু হিন্দুকে সরকারে নিয়োগ দিয়েছিল এবং একধরনের বহু ধর্মীয় সহানুভুতি প্রচার করেছিল।

🚩গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ (শাসনকাল ১৫৩৩-১৫৩৮) ছিলেন হোসেন শাহি রাজবংশের সর্বশেষ সুলতান।

🔴ঘঘরার যুদ্ধে সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ বাবরের কাছে পরাজিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের অংশে পরিণত হয়।

INDUS VALLEY CIVILIZATION (2500-1750BC)

🔴HARAPPA(Left Bank of Ravi,Montegomery)


✔2 rows of 6 granaries.


✔Single room Barrack


✔Bull-seal


✔Statue of Nataraj Shiva


✔Bullock Carts(এক্কা গাড়ি) 


✔Coffin Burial


✔Cemetery H & R 37


🔴 MOHENJODARO

(Right bank of Indus,Larkana)☛


✔Great Bath (Largest Brick Work)


✔Great Granary (Largest Building)


✔Bronze image of dancing girl


✔Image of steatite bearded man


✔Piece of woven cotton


✔Seal of pashupati


✔Prepared Garments


 ✔Skeletons on stairs of well (Mound of the dead)


✔Priest King


✔Assembly Hall


✔Cylindrical seals from Mesopotamia


🔴LOTHAL

(Sabarmati,Gujarat)☛


✔Artificial Dock (Manchester of Harappan civilization)


✔Art of double burial of man and woman(সতী প্রথার নিদর্শন)


✔Cotton cultivation


✔Rice Cultivation(also in Rangpur)


✔Atta Chaki


✔Sheep Seal


✔Copper Dog


✔Modern day Compass


✔Trapezium citadel


🔴CHANHUDARO(Bank of Indus)☛


✔Lancashire of India/Sheffield of India.


✔Only city without citadel


✔Bangles Factory


✔Beads Factory


✔Ink pot


🔴KALIBANGAN

(Rajasthan)☛


✔Granary & Wooden furrow


✔Fire alters


✔Wells in every house


✔Camels Bone


✔Pot burial


🔴Dholavira(Gujarat)☛


✔Divided into 3 parts(বাকী শহর বা প্রত্নকেন্দ্রগুলো দুটো ভাগে বিভক্ত ছিল)


✔Stadium.


✔Step well.


✔Guard room at entrance.


✔Gold Bangles and Gold ear stud.


🔴Ropar☛Double burial of Man and Dog.


🔴Amri☛ Rhinoceros.


🔴Surkotoda☛Bone of Horse.


🔴Rangpur☛Rice Husks.


🔴Banwali☛No drainage system,Palace like structures.


🚩SOME IMPORTANT FEATURES


🔷First mentioned by☛Charles Mason.


🔷Excavation begun by☛A. Cunningham.


🔷First Discovered Site☛Harappa

(1921,D.Sahani)


🔷The Civilization was named as Indus Valley Civilization by Sir John Marshal (1924).


🔷The maximum number of sites were explored by S.R. Rao, in Gujarat (190 sites).


🔷First Discovered Site after Independence☛Ropar.


🔷Chalcolithic period civilization.


🔷Script☛Pictograph,

Boustrophedon.


🔷Their weights and measures resemble those of Babylon.


🔷Their drainage system resembles that at Tell Asmar.


🔷LARGEST SITE☛Rakhigarhi


🔷LARGEST 'CITY'☛Mohenjodaro.


🔷SMALLEST SITE☛Allahdino.


🔷Mohenjodaro: UNESCO World Heritage Site☛1980.


🔷Destroyed by Fire☛Kotdiji.


🔷IVC was called "MELUHA" by the mesopotemians.


🔷Main Crop☛Wheat.